মাগুরায় সরকারি নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ দামে ডিএপি সার কিনে চড়া মূল্যে বিক্রির প্রস্তুতির সময় ৮০ বস্তা সার জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ ঘটনায় মেসার্স আলিম এন্টারপ্রাইজের সাব-ডিলার আলিমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার সকালে সদর উপজেলার আলমখালী বাজারে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের যৌথ অভিযানে এসব সার জব্দ করা হয়।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, আলমখালী বাজারের মেসার্স আলিম এন্টারপ্রাইজের সাব-ডিলার আলিম চট্টগ্রামের আফজাল এন্টারপ্রাইজ থেকে প্রতি বস্তা ডিএপি সার ২ হাজার ১০০ টাকা দরে কিনে আনেন। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য প্রতি বস্তা ১ হাজার ৫০ টাকা।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, সরকার নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ দামে সার কিনে তা আরও বেশি দামে বিক্রির প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে-এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ৮০ বস্তা ডিএপি সার জব্দ করা হয় এবং সাব-ডিলার আলিমকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

এদিকে সার সংকটের সময়ে সরকারি নির্ধারিত মূল্যের প্রায় দ্বিগুণ দামে সার কেনার ঘটনায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। কৃষকদের অভিযোগ, বেশি দামে সার কেনাবেচা ও মজুতের কারণে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে তাদের উৎপাদন খরচ আরও বেড়ে যেতে পারে।

কৃষকদের স্বার্থে সার সরবরাহ ও বিক্রয়ব্যবস্থায় নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি সরকারি নির্ধারিত মূল্যের বাইরে সার কেনাবেচা ও মজুতের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকেরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. নূর এ নবী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারি, চট্টগ্রামের আফজাল এন্টারপ্রাইজ থেকে ২ হাজার ১০০ টাকা দরে ডিএপি সার আনা হয়েছে। পরে অভিযান চালিয়ে ৮০ বস্তা সার জব্দ করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা. মেহেরুনন্নাহার বলেন, জব্দ করা সার কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করা হবে। সার বিক্রির অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হবে।