‘ছাগলকাণ্ডে’ আলোচিত জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর্মকর্তা মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আদেশের জন্য ২১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।
রোববার ঢাকার বিভাগীয় স্পেশাল জজ আদালতের বিচারক বিএম তারিকুল কবির শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম। এদিন কারাগার থেকে মতিউর রহমানকে আদালতে হাজির করা হয়। শুনানিতে আসামিপক্ষের আইনজীবী আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়া ও মো. বোরহান উদ্দিন অভিযোগ গঠন থেকে অব্যাহতির আবেদন করেন। তারা আদালতকে বলেন, মতিউর রহমানকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এ মামলায় ফাঁসানো হয়েছে। তার আয়করসংক্রান্ত সব নথি সঠিক রয়েছে। তাই তাকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া উচিত।
মামলার নথি অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর মতিউর রহমান ও তার দ্বিতীয় স্ত্রীর বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগে পৃথক দুটি মামলা করে দুদক।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, সম্পদ বিবরণীতে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়ে মতিউর রহমান ১ কোটি ২৪ লাখ ২৫ হাজার ২১১ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করেছেন। এছাড়া সরকারি চাকরিজীবী হিসাবে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুস ও দুর্নীতির মাধ্যমে ৫ কোটি ৪০ লাখ ৯৭ হাজার ৬৭২ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন।








