আজ থেকে শুরু হয়েছে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ ২০২৬। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ১ আগস্ট থেকে বিশ্বব্যাপী পালিত হচ্ছে এই সপ্তাহ। দিবসটি উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশে মায়ের দুধের গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ সচেতনতামূলক বার্তা দিয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, মায়ের দুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিক খাবার। এটি শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সার্বিক বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সংস্থাটির মতে, জন্মের পর থেকেই সঠিক সহায়তা ও পরামর্শ পেলে মাতৃদুগ্ধদান প্রক্রিয়া সহজ ও সফল হয়।

আরও পড়ুন

বন্যাকবলিতদের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ডব্লিউএইচওর ৬ পরামর্শ

বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা মায়ের দুধ সম্পর্কিত ৫টি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে-

শালদুধের উপকারিতা: জন্মের পর মায়ের প্রথম দুধ (শালদুধ) শিশুর জন্য সবচেয়ে উপকারী। খুব অল্প পরিমাণ শালদুধই নবজাতকের শারীরিক প্রয়োজন মেটাতে সক্ষম।

jagonews24মায়ের দুধই শিশুর জন্য সবচেয়ে নিরাপদ, পুষ্টিকর ও প্রাকৃতিক খাবার বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা/ ছবি: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, বাংলাদেশ

মানসিক বন্ধন: মায়ের দুধ খাওয়ালে মা ও শিশুর মধ্যে ভালোবাসা এবং মানসিক বন্ধন আরও সুদৃঢ় হয়।

হজমশক্তি ও অনাক্রম্যতা: এটি শিশুর হজমশক্তি ভালো রাখতে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (ইমিউনিটি) বাড়াতে সহায়তা করে।

আরও পড়ুন

বিশ্বজুড়ে বাড়ছে ডেঙ্গু, সতর্ক থাকার আহ্বান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার

সংক্রমণ প্রতিরোধ: মায়ের দুধে থাকা বিভিন্ন উপকারী উপাদান শিশুকে নানা ধরনের সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়।

দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি: জন্মের পর প্রথম কয়েক দিন শিশুকে বারবার বুকের দুধ খাওয়ালে মায়ের দুধ দ্রুত তৈরি হয়।

মা ও শিশুর সুস্বাস্থ্য নিশ্চিত করতে এবং একটি সুস্থ জাতি গঠনে মাতৃদুগ্ধদানে সবাইকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানিয়েছে সংস্থাটি।

এসইউজে/ইএ