১৯৮০ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন দেখে পার্বত্য চট্টগ্রামের বিশাল এক অংশ রাবার চাষের আওতাভুক্ত করেছিলেন। ছেচল্লিশ বছর আগে আমরা তার ডাকে সাড়া দিয়ে অনেক আশা আর সাহস নিয়ে এগিয়ে এসেছিলাম রাবার বাগান করতে। কিন্তু জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর এ খাতে আর কোনো উন্নতি হয়নি। কথা ছিল-আমাদের রাস্তা, বিদ্যুৎ, ব্যাংক লোন এবং নিরাপত্তা দেওয়া হবে। কিন্তু এর কিছুই হয়নি। বিদ্যুৎ আমরা পেয়েছি মাত্র এগারো বছর আগে, তাও আবার মেইন রোডের কাছে বলে। যে লেবার ছিল বিশ টাকা, আজ তা হয়েছে সাতশ থেকে আটশ টাকা। রাবার বিক্রি করে লাভ তো দূরের কথা, মাসের খরচ উঠানোই মুশকিল। আরেকটি সমস্যা হলো হাতির আক্রমণ। হাতি ঘর, পানির ট্যাঙ্ক, রাবার আর বিভিন্ন গাছ উপড়ে ফেলছে দিনের পর দিন, অথচ সরকারের তরফ থেকে এর কোনো প্রতিকার নেই। সরকার চাইলে পার্বত্য চট্টগ্রামে কম করে হলেও এক হাজার একর জমি ঘিরে হাতির আবাস গড়ে তুলতে পারে। কিছু এনজিও হাতি রক্ষার নামে বিভিন্ন দেশ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে আসে, যার সামান্য পরিমাণই এদের পেছনে ব্যয় হয়। আমাদের দাবি, হাতি সংরক্ষণে বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে সব বাগানে বিদ্যুতের ব্যবস্থা করা হোক। বাতি জ্বালানো থাকলে হাতি সাধারণত কম ঝামেলা করে। বিদ্যুতের লাইন এবং খাম্বার জন্য ঘুস নেওয়া বন্ধ করতে হবে। আমরা এ ব্যাপারে সরকারের সর্বস্তর থেকে সহযোগিতা চাই। আর সবার আগে চাই জীবনের নিরাপত্তা।

উদ্যোক্তা, চকরিয়া, কক্সবাজার