পাঠকের পাঠানো ছবি থেকে বাছাই করা ছবি নিয়মিত প্রকাশিত হয় নাগরিক সংবাদে।

মানুষ হিসেবে আমরা বড় দুঃখী। আমরা আমাদের সেরা সময়টা কাটাই অভাবের সময়। একটা ডিম ভেজে ভাগ করে খাওয়ার সময়। ভাত পর্যাপ্ত না থাকলে অল্প ভাতই মিলেমিশে খাওয়ার সময়। অভাবই সুখ নয়। কিন্তু অভাবের দিনগুলোর স্মৃতিই অমূল্য সম্পদ। সুখের খনি। সচ্ছলতার দিন শুরু হলে আমাদের বিচ্ছেদ শুরু হয়। দেখা যায় হাজারটা শাড়ি কিনে দেওয়ার সামর্থ্যের দিনে মা হিসাবের পাট চুকিয়ে অন্যলোকে যাত্রা করেছেন ইতিমধ্যে। নয়তো বাবাই নেই। অথবা নেই সেই প্রিয়জন, যে অভাবের দিনের স্মৃতির অংশ ছিল। আমরা সময়ে পাই না কিছুই কেবল স্মৃতির খনিতে স্মৃতি হাতড়ানো ছাড়া! ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম
কিছু দৃশ্য শুধু চোখে নয়, মনেও গেঁথে থাকে। সবুজ শাপলার পাতায় সাজানো শান্ত জলরাশি, আকাশের নীল আর সাদা মেঘের নিখুঁত প্রতিচ্ছবি যেন প্রকৃতির আঁকা এক জীবন্ত ক্যানভাস। এমন সৌন্দর্যের সামনে দাঁড়ালে শহরের সব কোলাহল হারিয়ে যায়, আর মন খুঁজে পায় এক টুকরা নির্মল প্রশান্তি। বিএল কলেজ থেকে ছবিটি তোলা
আকাশে মেঘের ঘনঘটা, নদীর বুকে নীরবতা। নদীর এই মনোমুগ্ধকর দৃশ্য প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করবে যে কাউকে। ফুলজোড় নদী, ধানগড়া, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জ
প্রচণ্ড গরমে তাস খেলে অবসর যাপন করছেন গ্রামীণ মানুষেরা। বুদ্ধির বাজার, সোনারঘোপ, স্বরূপকাঠি, পিরোজপুর
ইংল্যান্ডের গ্রীষ্মের বিকেল, ঘরের ছাদের ওপর পাখিদের শান্ত উপস্থিতি। প্রকৃতির নির্মল সৌন্দর্যের এক অপূর্ব মুহূর্ত
গোধূলির আলোয় ঘরে ফেরা অতিথি পাখি। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলা থেকে ছবিটি তোলা হয়েছে
গাঙ্গাটিয়া জমিদারবাড়ি প্রায় ১০ একর জমির ওপর আনুমানিক ৪০০ বছর পূর্বে নির্মিত। এই বাড়িটি তার চমৎকার রোমান ও গ্রিক স্থাপত্যের স্তম্ভ । এটি এখনো ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়নি, দর্শনার্থীরা প্রতিদিনই এখানে এই নান্দনিক স্থাপনা দেখতে আসেন। গাঙ্গাটিয়া, হোসেনপুর, কিশোরগঞ্জ
নীল পদ্ম ফোয়ারা। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পদ্মপুকুর থেকে ছবিটি তোলা
দুপাশে সারি সারি কাঁঠালগাছের মধ্য দিয়ে গ্রামীণ রাস্তা চলে গেছে। উল্লাপাড়া, সিরাজগঞ্জ