বিশ্বকাপে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইতিহাস গড়ে প্রথমবারের মতো নকআউট পর্বে জয় তুলে নেয় মিসর। ম্যাচ শেষে উদযাপনের সময় ফিলিস্তিনের পতাকা কাঁধে জড়িয়ে সে দেশের জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেন মিসরের প্রধান কোচ হোসাম হাসান। পরে তিনি প্রকাশ্যে বলেন, ‘আমার হৃদয় ও আত্মা ফিলিস্তিনের মানুষের সঙ্গে রয়েছে।’
এরপরই বিভিন্ন মাধ্যমে খবর ছড়িয়ে পড়ে, খেলাধুলার বাইরের বিষয়ে মন্তব্য করায় হোসাম হাসানের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে ফিফা।
তবে সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দিয়েছে বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা। এপি নিউজ-এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ফিফা নিশ্চিত করেছে যে হোসাম হাসানের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না।
ফিফার এক সূত্র জানায়, ‘ফিফার ২১১ সদস্য দেশের সব ফেডারেশনের পতাকা নির্ধারিত টুর্নামেন্টে প্রদর্শনের অনুমতি রয়েছে। এছাড়া স্টেডিয়ামের নিয়মকানুন ও ফিফার আচরণবিধি মেনে সমর্থকরাও এসব পতাকা বহন করতে পারেন।’
যেহেতু ফিলিস্তিন ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন ফিফার স্বীকৃত সদস্য, তাই ফিলিস্তিনের পতাকা প্রদর্শনের কারণে হোসাম হাসানের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, অতীতে মাঠে রাজনৈতিক বার্তা নিরুৎসাহিত করার অবস্থান নিয়েছে ফিফা। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সমকামী অধিকার সমর্থনকারী আর্মব্যান্ড পরতে চাওয়া কয়েকটি ইউরোপীয় দলকে অনুমতি দেওয়া হয়নি।
একইভাবে, ইরানের বিশ্বকাপ ম্যাচে দেশটির প্রাক-বিপ্লবী পতাকা প্রদর্শনের ঘটনাতেও ফিফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। পরে বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়ালেও সেই নিষেধাজ্ঞাই বহাল থাকে।
আরআর/এমএমআর








