বিশ্বকাপটা একদমই ভালো যায়নি ব্রাজিলের ফরোয়ার্ড রাফিনহার। হাইতির বিপক্ষে ইনজুরিতে পড়ার পর এখনো সুস্থ হয়ে মাঠে ফেরা হয়নি এই বার্সা তারকার। নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচেও তার মাঠে নামার সম্ভাবনা নেই বললেই চলে, নিশ্চিত করেছেন তারই সতীর্থ ডগলাস সান্তোস।

তবে নিউ জার্সির কলম্বিয়া পার্ক ট্রেনিং সেন্টারে রাফিনহার অনুশীলনে ফেরার মধ্য দিয়ে শুক্রবার ব্রাজিল জাতীয় দল একটি সুখবর পেয়েছে। যদিও এই ফরোয়ার্ডের অবস্থার উন্নতি হলেও, লেফট-ব্যাক ডগলাস সান্তোস ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর ম্যাচে নরওয়ের বিপক্ষে কার্লো আনচেলত্তির দলে ১১ নম্বর জার্সিধারী এই খেলোয়াড়কে পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

এক সংবাদ সম্মেলনে ডগলাস দলের বাকিদের সাথে তাঁর সতীর্থের অনুশীলনে ফেরার বিষয়টি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং জানান, ব্রাজিল যদি কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠে তবে রাফিনহাকে দলে পাওয়ার আশা করছে পুরো দল।

তিনি বলেন, 'আজ রাফিনহা আমাদের সাথে অনুশীলনে ফিরেছে এবং এটা জেনে খুব ভালো লাগছে যে সে ধীরে ধীরে আমাদের সাথে অনুশীলনে অংশ নিচ্ছে। আমরা আশা করি সে আরও উন্নতি করবে এবং পুরোপুরি সুস্থ (১০০% ফিট) হয়ে উঠবে, যাতে আমরা পরবর্তী ধাপে গেলে সে খেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে পারে।'

ফলে এটা নিশ্চিত রবিবারের ম্যাচেও এই ফরোয়ার্ডকে পাচ্ছে না ব্রাজিল। গ্রুপ পর্বে হাইতির বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জয়ের ম্যাচে ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ের পেশিতে চোট পেয়েছিলেন রাফিনহা।সেই চোট থেকে সেরে ওঠার পর তিনি আংশিকভাবে অনুশীলনে ফিরেছেন। শুক্রবার তিনি দলের বাকিদের সাথে ওয়ার্ম-আপ এবং প্রচলিত 'কিপ-অ্যাওয়ে' ড্রিল (বল নিজেদের দখলে রাখার অনুশীলন) কার্যক্রমে অংশ নেন। এরপর তিনি কম শারীরিক পরিশ্রমের একটি নির্দিষ্ট সূচি অনুযায়ী অনুশীলন করেন।

নরওয়ের বিপক্ষে পরিকল্পনায় নেই রাফিনহা। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তার সেরে ওঠার প্রক্রিয়া ভালোভাবেই এগিয়েছে। তবে চোট যাতে আবার ফিরে না আসে সেজন্য কোচিং স্টাফরা সতর্কতার সাথে কাজ করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, ব্রাজিল যদি বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উত্তীর্ণ হয়, কেবল তখনই এই ফরোয়ার্ড খেলার মতো অবস্থায় থাকবেন।

এদিকে, কার্লো আনচেলত্তি এখনও লুকাস পাকেতাকে পাচ্ছেন না, যিনি তার বাম উরুর পেশির চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় আছেন। কোচের সামনে এখন প্রধান প্রশ্ন হলো, নরওয়ের বিপক্ষে ম্যাচে এই মিডফিল্ডারের শূন্যস্থান কে পূরণ করবেন।

আরআর/এসকেডি/এএসএম