দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৩৬ হাজারেরও বেশি প্রধান শিক্ষকের শূন্য পদে পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। এ বিষয়ে সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) কাছে আজকের মধ্যেই চাহিদা পাঠানো হবে বলে জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সচিবালয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা জানান।
সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী বলেন, অ্যাটর্নি জেনারেল ফোনে আদালতের রায় জানানোর সঙ্গে সঙ্গে পিএসসি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলেছি। পিএসসি চেয়ারম্যান দ্রুত চাহিদা দিতে বলেছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলের মধ্যেই পিএসসিতে চাহিদা পাঠানো হবে, যাতে পিএসসি বিশেষভাবে এই নিয়োগ দিতে পারে।
উল্লেখ্য আজ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের রায়ে জাতীয়করণ করা প্রাথমিক শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতা নির্ধারণ ও পদোন্নতি নিয়ে জটিলতার অবসান ঘটেছে। ফলে দেশের সাড়ে ৩২ হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা দূর হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, উচ্চ আদালতের রায়ের পর শূন্য থাকা ৩৬ হাজার ২৩৫টি প্রধান শিক্ষকের পদে সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দেওয়ার পর সহকারী শিক্ষকের এই পদগুলোও শূন্য হবে। বর্তমানে সহকারী শিক্ষকের পদ শূন্য আছে ২ হাজার ২০০ এর বেশি। অর্থাৎ প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতির পর সহকারী শিক্ষকের ৩৮ হাজারের বেশি পদ শূন্য হবে।
প্রধান শিক্ষকের পদে নিয়োগের পর সহকারী শিক্ষকের ওই শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া যাবে। এটি একটি সুখবর বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ, অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস।








