পুরান ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে প্রকাশ্যে হত্যার মামলায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠনের আদেশ দিয়েছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে আলোচিত এ মামলার বিচার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো।
রোববার (১২ জুলাই) ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ আদেশ দেন। একই সঙ্গে আদালত মামলার জামিনে থাকা সব আসামির জামিন বাতিল করেন। তবে তিন আসামি হাইকোর্ট থেকে জামিন নেওয়ায় তাদের জামিন বহাল রয়েছে।
আরও পড়ুন
চাঁদাবাজি নয়, ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বে খুন হন সোহাগ: পুলিশ
শুনানি শেষে বাদীপক্ষের আইনজীবী জিয়াউল হক জাগো নিউজকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, আদালত দণ্ডবিধির ৩০২, ১৪৩ ও ৩৪ ধারায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের আদেশ দিয়েছেন। এর মাধ্যমে মামলার বিচারিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে।
আদালতে আইনজীবী জিয়াউল হকের সঙ্গে নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম/ছবি: আশিকুজ্জামান
মামলার নথি অনুযায়ী, গত বছরের ৯ জুলাই রাজধানীর স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ (মিটফোর্ড) হাসপাতালের সামনে প্রকাশ্যে পিটিয়ে, ইট-পাথর দিয়ে আঘাত করে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে হত্যা করা হয়। ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়।
আরও পড়ুন
‘মব’ সাজানোর পরিকল্পনা / ব্যবসায়ীদের কড়া বার্তা দিতেই সোহাগকে হত্যা করে বুনো উল্লাস
হত্যাকাণ্ডের পরদিন নিহত সোহাগের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। তদন্ত শেষে অভিযোগপত্রে ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়। পরে সম্পূরক অভিযোগপত্র গ্রহণের পর মামলাটি বিচারের জন্য মহানগর দায়রা জজ আদালতে স্থানান্তর করা হয়।
তদন্তে বলা হয়েছে, ভাঙারি ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে লাল চাঁদকে হত্যা করা হয়। বর্তমানে মামলার কয়েকজন আসামি কারাগারে থাকলেও কয়েকজন এখনো পলাতক।
এমডিএএ/বিএ








