কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলায় ভারী বৃষ্টির মধ্যে পাহাড় থেকে পা পিছলে পড়ে আহত হাতিটি মারা গেছে। হাতিটির বয়স ২৭ বছর বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রবিবার (১২ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে হাতিটির মৃত্যু হয়। কক্সবাজার দক্ষিণ বন বিভাগ টেকনাফ অঞ্চলের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন। 

শনিবার (১১ জুলাই) বেলা আড়াইটার দিকে টেকনাফ পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের নাইট্যাংপাড়ার শিয়াল্যাঘোনা পাহাড়ি এলাকায় হাতিটি পাহাড় থেকে গড়িয়ে নিচে পড়ে যায়। 

সহকারী বন সংরক্ষক মো. মনিরুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনায় হাতিটির মেরুদণ্ড মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পেছনের দুই পা অচল হয়ে যায়। ফলে সেটি আর দাঁড়াতে পারছিল না। বন বিভাগ ও ভেটেরিনারি চিকিৎসকদের সমন্বিত প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত হাতিটিকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। ময়নাতদন্ত শেষে বন বিভাগের তত্ত্বাবধানে পাহাড়ি এলাকায় মৃত হাতিটি পুঁতে ফেলা হবে।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, পাহাড়ের চূড়ায় গাছপালা ও লতাপাতা খাওয়ার সময় হাতিটি নিচে গড়িয়ে পড়ে। টানা ভারী বর্ষণে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ধসে যাওয়ায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

টেকনাফ রেঞ্জের কর্মকর্তা আব্দুর রশিদ বলেন, ঘটনাস্থলটি পাথুরে হওয়ায় পাহাড় থেকে গড়িয়ে পড়ার সময় হাতিটি পাথরের সঙ্গে আঘাতপ্রাপ্ত হয়। এতে মাথাতেও গুরুতর আঘাত লেগে থাকতে পারে। আহত হাতিটিকে চিকিৎসা দিতে টেকনাফ উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ডুলাহাজারা সাফারি পার্কের ভেটেরিনারি চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত সেটিকে রক্ষা করা সম্ভব হয়নি।