মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার কাউয়াদিঘী হাওরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরিতে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কাউয়াদিঘী হাওরে চলতি বোরো মৌসুমে অতি বৃষ্টিতে পানি বৃদ্ধি পেয়ে ধান নিমজ্জিত হয়ে নষ্ট হয়। অনেক কৃষকই ধান কেটে ঘরে তুলতে পারেননি। এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন তাঁরা। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে একটি তালিকা তৈরি করা হয়। তালিকা তৈরিতে সহায়তা করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা। যারা বোরো চাষাবাদ করেননি তাঁদের নামই তালিকায় লিপিবদ্ধ করা হয় এবং প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্তরা তাঁদের অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
কাউয়াদিঘী হাওরের কৃষক শাহিন মিয়া বলেন, ‘বন্যায় যাদের ক্ষতি হয়নি তাঁদের নাম সরকারি অনুদানের তালিকায় এসেছে। আমরা লিখিত অভিযোগ দিয়েছি তালিকাটি সংশোধন করার জন্য।’
ফখরুল মিয়া, মিতুল মিয়া, সুহেল মিয়াসহ আরও অনেকে বলেন, ‘ইউপি সদস্য, চেয়ারম্যান ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা তাঁদের পছন্দের ব্যক্তিদের নাম তালিকায় লিপিবদ্ধ করেছেন।’
এ বিষয়ে পাঁচগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জুবেল আহমেদ রাসেলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে ইউএনওসহ আমরা বসেছি। যারা ক্ষতিগ্রস্ত শুধু তাঁরাই সহযোগিতা পাবেন।’
এ বিষয়ে রাজনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপুল সরকার বলেন, ‘বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। এ ছাড়া বরাদ্দ কম থাকায় সবাইকে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।’








