রাজধানীর রামপুরার এক মাদরাসা থেকে তাহমিদুল ইসলাম (১০) নামের এক শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। হিফজ বিভাগের ওই শিক্ষার্থী মাদরাসার গ্রিলের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস দেয় বলে দাবি মাদরাসা সংশ্লিষ্টদের।

রোববার (৫ জুলাই) দুপুর ১২টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। তবে মরদেহ উদ্ধার করা হয় শনিবার দিনগত রাত পৌনে ২টার দিকে।

আরও পড়ুন

অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক মারা গেছেন

হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সুমন মিয়া বলেন, খবর পেয়ে পূর্ব রামপুরার বেটার লাইফ হাসপাতাল থেকে রাত পৌনে দুইটার দিকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করি। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।

তিনি আরও বলেন, ওই মাদরাসার বাবুর্চি মোতাহার দাবি করেছেন- তাহমিদুল হেফজ বিভাগে পড়তো। রাত বারোটার দিকে তাহমিদুলের বাবা, হুজুর (শিক্ষক) ও বাবুর্চি আম কিনতে বাজারে যান। বাজার থেকে এসে দেখেন তাহমিদুল জানালার গ্রিলের সঙ্গে গামছা পেঁচিয়ে গলায় ফাঁস নিয়ে ঝুলে আছে। পরে তাকে উদ্ধার করে বেটার লাইফ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ওখানেই তার মৃত্যু হয়।

আরও পড়ুন

চিফ প্রসিকিউটর / যে আইনে জামায়াত নিষিদ্ধ করেছিল, সে আইনেই আ’লীগের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে

নিহত তাহমিদুল সিরাজগঞ্জ জেলার তাড়াশ থানার কাজীপুর এলাকার মোহাম্মদ শাহিন রেজার ছেলে। সে রামপুরার মহানগর প্রোজেক্টের দুই নম্বর রোডের আল ফুরকান মাদরাসার শিক্ষার্থী ছিল।

কাজী আল-আমিন/কেএসআর