সাভারে পারিবারিক কলহের জেরে গৃহবধূ মার্জনা বেগমকে ওড়না দিয়ে গলার ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার স্বামীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ঘাতক স্বামী ফয়সালকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনার পর থেকে শ্বশুর ও পরিবারের অন্য সদস্যরা পলাতক রয়েছে। বুধবার দুপুরে সাভার মডেল থানার উপপরিদর্শক উলাইল কর্ণপাড়ার বাসা থেকে গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করেন। নিহত মার্জনা বেগম ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার পূর্ব মাদ্রাসা এলাকার মাজহারুল ইসলামের মেয়ে। প্রায় ৫ মাস আগে একই উপজেলার আমিনাবাদ রইদের হাটবাজার এলাকার তৌসির আহমেদের ছেলে ফয়সালের সঙ্গে পারিবারিকভাবে তার বিয়ে হয়। বিয়ের পর তারা উলাইল কর্ণপাড়ার বাসায় বসবাস করে আসছিলেন। ফয়সাল স্থানীয় একটি কুরিয়ার পরিবহণে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের মামা মোহাম্মদ মাসুদ জানান, বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। গত রাতে তাদের মধ্যে তীব্র বাগ্বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে ফয়সাল মার্জনার ওড়না দিয়ে তার গলায় ফাঁস লাগিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। তার শ্বশুর মার্জনার পরিবারকে ফোনে জানায়, পুত্রবধূ গুরুতর অসুস্থ। খবর পেয়ে স্বজনরা এসে মার্জনার লাশ দেখতে পান। এ সময় তার গলায় ফাঁস ও আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। খবর দেওয়া হলে সাভার থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে এবং সন্ধ্যায় তার স্বামী ফয়সালকে আটক করতে সক্ষম হয়। এ সময় সে ওড়না প্যাঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যার কথা স্বীকার করে। সাভার থানার উপপরিদর্শক নজরুল ইসলাম বলেন, স্বামীকে আটক করা হয়েছে। পলাতক শ্বশুরসহ অন্যদের আটকে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় সাভার থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকার সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

