পটুয়াখালীর কুয়াকাটা সংলগ্ন গভীর সাগরে মাছধরা একটি ট্রলারে জলদস্যুদের হামলায় অন্তত ১২ জন জেলে আহত হয়েছেন। এসময় ট্রলার থেকে প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মাছ, জাল, জ্বালানি তেলসহ লাখ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায় তারা।
বুধবার (৫ আগস্ট) ভোর ৪টার দিকে কুয়াকাটা থেকে প্রায় ২৮ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে গভীর সাগরের খাম্বা বয়া বাতি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আহতদের মধ্যে ট্রলারের মাঝি আইয়ুবের (৪০) অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। আহত আরও তিনজন কুয়াকাটা ২০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

১৮ দিনে তিন জাহাজে জলদস্যুদের হামলা, লুট ১০ কোটি টাকার সামগ্রী
আহত জেলেদের সবার বাড়ি ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকায়।
ট্রলার মালিক ইব্রাহিম জানান, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) ১৪ জন জেলেকে নিয়ে ‘এফবি মিম’ নামের ট্রলারটি চরফ্যাশন থেকে মাছ শিকারের উদ্দেশ্যে বঙ্গোপসাগরে যায়। কয়েকদিন মাছ ধরার পর বুধবার ভোরে তীরে ফেরার পথে একটি সন্দেহভাজন ট্রলার তাদের ট্রলারটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এরপর ২০-২৫ জনের সশস্ত্র জলদস্যু দল ট্রলারে উঠে জেলেদের ওপর এলোপাথাড়ি হামলা চালায়।

তিনি আরও বলেন, হামলার সময় জেলেদের মারধর করে ট্রলারে থাকা প্রায় সাড়ে তিন লাখ টাকার মাছ, মাছ ধরার জাল, বিপুল পরিমাণ জ্বালানি তেল এবং অন্যান্য মূল্যবান মালামাল লুট করে নিয়ে যায় জলদস্যুরা। পরে জেলেরা আহত অবস্থায় কোনোভাবে ট্রলারটি নিয়ে উপকূলে ফিরে আসেন।
পায়রা বন্দর নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নয়ন কারকুন বলেন, ‘ঘটনাস্থল সরাসরি নৌ-পুলিশের আওতাভুক্ত না হলেও খবর পাওয়ার পর আহত জেলেদের খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে কোস্টগার্ডের নিজামপুর কন্টিনজেন্ট কমান্ডার শহীদুল্লাহ বলেন, ‘বিষয়টি আমাদের জানা নেই। তবে আমাদের কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
আসাদুজ্জামান মিরাজ/এসআর/জেআইএম








