ফিফা বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে ১-১ গোলের সমতায় সমতায় ফি‌রে‌ছে আর্জে‌ন্টিনা। ম্যাচের ৮৫ মিনিটের মাথায় এনজো ফার্নান্দেজের দূরপাল্লার দারুণ এক শটে সমতায় ফেরে আর্জেন্টিনা। এর আগে ৫৫ মিনিটে মরগান রজার্সের চমৎকার ক্রসে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে ইংল্যান্ডকে এগিয়ে দিয়েছিলেন অ্যান্থনি গর্ডন। ​ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের খেলায় তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা ও ফাউলের ছড়াছড়ি দেখা যায়। প্রথম ১০ মিনিটে আর্জেন্টিনা চারটি ফাউল করে, যা চলতি বিশ্বকাপে একটি রেকর্ড। খেলার প্রথমার্ধে কোনো দলই গোলের দেখা পায়নি। বল দখলের লড়াইয়ে আর্জেন্টিনা কিছুটা এগিয়ে থাকলেও, গোলশূন্য অবস্থায় বিরতিতে যায় দুই দল। বিরতির পর ৫৫ মিনিটে কাঙ্ক্ষিত গোল পায় ইংল্যান্ড। পিছিয়ে পড়ার পর আর্জেন্টিনা ম্যাচে ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে। ৬৮ মিনিটে লিওনেল মেসির ক্রস থেকে নিকো গনজালেজের হেড দুর্দান্তভাবে ঠেকিয়ে দেন ইংল্যান্ড গোলকিপার জর্ডান পিকফোর্ড। ৭৫ মিনিটে ম্যাক অ্যালিস্টারের হেডও পিকফোর্ড একইভাবে ফিরিয়ে দিলে ব্যবধান দ্বিগুণ করতে ব্যর্থ হয় ইংল্যান্ড। ​দ্বিতীয় অর্ধে আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি ও ইংল্যান্ড কোচ টমাস টুখেল কৌশলগত পরিবর্তনের জন্য একাধিক খেলোয়াড় বদলান। আর্জেন্টিনার হয়ে লিসান্দ্রো মার্তিনেজ, নাহুয়েল মোলিনা, জুলিয়ানো সিমিওনে, লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও নিকোলাস তাগলিয়াফিকো মাঠ ছাড়েন। অন্যদিকে ইংল্যান্ডের হয়ে মাঠ ছাড়েন অ্যান্থনি গর্ডন, রিস জেমস ও ডেক্লান রাইস। খেলার ৮৫ মিনিটে এনজো ফার্নান্দেজের প্রথম শট জর্ডান পিকফোর্ড কর্নারের বিনিময়ে ঠেকালেও, ফিরতি বল থেকে নেওয়া এনজোর দ্বিতীয় শটটি আর ফেরাতে পারেননি ইংলিশ গোলকিপার। পুরো ম্যাচে আর্জেন্টিনা প্রায় ৬০ শতাংশ বলের নিয়ন্ত্রণ রাখলেও ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগ তাদের অনেক প্রচেষ্টাই ব্যর্থ করে দেয়।