২
এ নিয়ে দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠল স্পেন। প্রথমবার শেষ চারে খেলেছিল তারা ২০১০ আসরে। সেবার স্পেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল
৯
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে টানা নয় ম্যাচে অপরাজিত স্পেন। নকআউটে সবশেষে তারা হেরেছিল (টাইব্রেকার ছাড়া) ২০০৬ আসরের শেষ ষোলোয় ফ্রান্সের কাছে
৩৬
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে রেকর্ড টানা ৩৬ ম্যাচে অপরাজিত (২৭ জয় ও নয় ড্র) স্পেন। এর আগে দুই দফায় টানা ৩৫ ম্যাচে অপরাজিত ছিল তারা
১
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে বদলি হিসাবে নেমে একাধিক ম্যাচে জয়সূচক গোল করা প্রথম ফুটবলার স্পেনের মিকেল মেরিনো। গত ৬০ বছরে নকআউট পর্বে ৮৭ মিনিটের পর দুটি জয়সূচক গোল করা প্রথম ফুটবলারও তিনি
৩
আলভারো মোরাতা ও ফের্নান্দো মরিয়েন্তেসের পর তৃতীয় স্প্যানিশ ফুটবলার হিসাবে বিশ্বকাপে বদলি হিসাবে নেমে দুটি গোল করলেন মেরিনো
১২
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে স্পেনের বিপক্ষে টানা ১২ ম্যাচে কোনো জয় পায়নি বেলজিয়াম। শেষ ছয় ম্যাচেই তারা হেরেছে
২
দ্বিতীয় দল হিসাবে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে শুরুর একাদশে দুজন অনূর্ধ্ব-২০ বছর বয়সি ফুটবলারকে (লামিনে ইয়ামাল ও পাউ কুবার্সি) খেলিয়েছে স্পেন। এর আগে ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিপক্ষে শেষ আটের লড়াইয়ে ২০ বছরের কম বয়সে ব্রাজিলের হয়ে খেলেছিলেন পেলে ও আলতাফিনি
৬
বিশ্বকাপে ১৮ বা তার কম বয়সি ফুটবলার হিসাবে সবচেয়ে বেশি ছয় ম্যাচ খেলেছেন ইয়ামাল
৬৪৯
বিশ্বকাপে রেকর্ড টানা ৬৪৯ মিনিট জাল অক্ষত রাখার পর গোল হজম করল স্পেন। বেলজিয়ামের চার্লস ডি কেটেলারের গোলে থামে স্পেনের রেকর্ড
৩
বেলজিয়ামের হয়ে নকআউট পর্বে রোমেলু লুকাকুর সমান তিন গোল করেছেন কেটেলার। দেশটির হয়ে নকআউট পর্বে যৌথভাবে এটাই সর্বোচ্চ গোল
১১
এবার ছয় ম্যাচে স্পেনের ১১ গোল বিশ্বকাপের এক আসরে যৌথভাবে তাদের সর্বোচ্চ। এর আগে ১৯৮৬ বিশ্বকাপে তারা ১১ গোল করেছিল
৫
ফিফা র্যাংকিংয়ের দুই ও তিন নম্বর দল স্পেন ও ফ্রান্স সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে। ১৯৯৪ সালের পর পঞ্চমবারের মতো র্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দলের দুটি বিশ্বকাপের সেমিতে উঠল। কোয়ার্টার ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড জিতলে ১৯৯৪ সালের পর এই প্রথম র্যাংকিংয়ের শীর্ষ চার দল খেলবে সেমিফাইনালে








