সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামে এক স্কুলছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ সোমবার রাত ৮টার দিকে সুমাইয়া খাতুনের বসতঘর থেকে ফারজানা সুলতানা (৯) নামে ওই ছাত্রীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে হত্যাকারী সন্দেহে সুমাইয়াকে পিটিয়ে হত্যা করে স্থানীয় জনতা।
নিহত ফারজানা উপজেলার কাজলা মাঝেরপাড়া গ্রামের লতিফ উদ্দিনের মেয়ে। সে কাজলা কাশিবাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী।
নিহত সুমাইয়া খাতুন একই গ্রামের আমিরুল ইসলামের স্ত্রী। তিনি বিদ্যালয়ের সামনে ঝালমুড়ি বিক্রি করতেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কালিগঞ্জ থানার ওসি শহিদুল ইসলাম জানান, সোমবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে ফারজানা স্কুলে যায়। বিদ্যালয় ছুটি হওয়ার পরও সে বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তাকে না পেয়ে কালিগঞ্জ থানা পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়।
খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল স্থানীয়দের সঙ্গে নিয়ে শিশুটিকে খুঁজতে শুরু করে। একপর্যায়ে রাত ৮টার দিকে সুমাইয়ার বসতঘরের ভেতর থেকে ফারজানার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
মরদেহ উদ্ধারের খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। এ সময় উত্তেজিত জনতা সুমাইয়াকে গণপিটুনি দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
কালিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম বলেন, শিশু ও সুমাইয়ার মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নেওয়া হয়েছে। ঘটনাটির প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে পুলিশ কাজ করছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও তদন্ত শেষে হত্যার কারণ জানা যাবে।
তবে স্থানীয়দের ধারণা, ফারজানার কানে থাকা সোনার দুল ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়ে থাকতে পারে।








