টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শক্তিশালী স্থানীয় নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অর্থবহ অংশগ্রহণ প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
তিনি বলেন, নারীর ক্ষমতায়নে নেওয়া উদ্যোগগুলো আগামী দিনের আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক, ন্যায়সঙ্গত ও সহনশীল বাংলাদেশের ভিত্তি তৈরি করছে।
বুধবার (৮ জুলাই) ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ইউএনওপিএস বাংলাদেশ আয়োজিত ‘টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) স্থানীয়করণের একটি মডেল নির্মাণ: এসডিজি ৫ ও এসডিজি ১৬’ শীর্ষক প্রচার অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী একথা বলেন।
অনুষ্ঠানে সরকারের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা, জাতিসংঘের প্রতিনিধি, উন্নয়ন অংশীদার, শিক্ষাবিদ, যুবনেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় এ কর্মশালাটি ‘বাংলাদেশে এসডিজি ৫ ও এসডিজি ১৬-এর স্থানীয়করণের মাধ্যমে নারীর রাজনৈতিক নেতৃত্ব জোরদারকরণ’ শীর্ষক যৌথ কর্মসূচির অংশ। এটি ইউএন উইমেনের সমন্বয়ে ও নারীপক্ষের অংশীদারত্বে ইউএনওপিএস বাস্তবায়ন করছে। কর্মসূচিটি যৌথ এসডিজি তহবিলের সহায়তায় পরিচালিত হয়।
ঢাকা, চট্টগ্রাম ও রাজশাহীতে সফল বাস্তবায়নের ধারাবাহিকতায় আয়োজিত এ প্রচার কর্মশালায় স্থানীয় পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়ন মডেলের প্রধান ফলাফল, অর্জিত অভিজ্ঞতা ও বাস্তবধর্মী সুপারিশ তুলে ধরা হয়।
কর্মশালায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ইউএনওপিএস বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ম্যানেজার সুধীর মুরালিধরন। ইউএন উইমেন বাংলাদেশের ডেপুটি কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ নবানীতা সিনহা এসডিজি ৫ ও এসডিজি ১৬ বাস্তবায়নে অংশীদারত্বের গুরুত্ব তুলে ধরে বিশেষ বক্তব্য দেন। নারীপক্ষের নির্বাহী সদস্য মাহিন সুলতান এসডিজি লোকালাইজেশন মডেল উপস্থাপন করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরিন জাহান, বাংলাদেশে আলজেরিয়ার রাষ্ট্রদূত ড. আবদেলওয়াহাব সাইদানি, বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা আখতার এবং হলি ক্রস গার্লস হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক সিস্টার কল্পনা কস্তা, সিএসসি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের আর্থ-সামাজিক অবকাঠামো বিভাগের সদস্য (সচিব) নাসরিন জাহান জাতীয় অঙ্গীকারকে স্থানীয় পর্যায়ে বাস্তবায়নের গুরুত্ব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার স্থানীয়করণ জাতীয় অগ্রাধিকারগুলোকে কমিউনিটি পর্যায়ের উদ্যোগে প্রতিফলিত করতে সহায়তা করে। অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়তে প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতা জোরদার এবং নারীর নেতৃত্বে বিনিয়োগ অপরিহার্য।
আইএইচও/এএসএ/এএসএম








