জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের (রেজি নং-৩৪৪৬) নামে জেলার বিভিন্ন রুটে জবরদখল, সড়কে চাঁদাবাজিসহ শ্রমিক নির্যাতনের প্রতিবাদে নীলফামারীর সৈয়দপুরে মানবন্ধন ও সমাবেশ করেছেন পরিবহনশ্রমিকেরা। আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত উপজেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে দিনাজপুর-রংপুর মহাসড়ক অবরোধ করে এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
নীলফামারী জেলা বাস-ট্রাক-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের ব্যানারে (রেজি নং-২২০) আয়োজিত এ কর্মসূচিতে জেলার বিভিন্ন উপজেলার দুই শতাধিক পরিবহনশ্রমিক অংশ নেন। এ সময় মহাসড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। এক ঘণ্টার কর্মসূচি শেষে শ্রমিকেরা সড়ক থেকে সরে দাঁড়ালে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, নীলফামারী জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা নুর আলমের নেতৃত্বে অশ্রমিকদের নিয়ে নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-৩৪৪৬) নামে একটি ভুঁইফোড় সংগঠন গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটি বিভিন্ন বাস কাউন্টার, স্ট্যান্ড ও রুটে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। পাশাপাশি অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন উপজেলায় উপকমিটি গঠন করে পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এসবের প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
মানববন্ধন ও সমাবেশে বক্তারা বলেন, নীলফামারী জেলা জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের নেতা নুর আলমের নেতৃত্বে অশ্রমিকদের নিয়ে নীলফামারী জেলা বাস-মিনিবাস ও কোচ পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়ন (রেজি নং-৩৪৪৬) নামে একটি ভুঁইফোড় সংগঠন গঠন করা হয়েছে। সংগঠনটি বিভিন্ন বাস কাউন্টার, স্ট্যান্ড ও রুটে জোরপূর্বক চাঁদা আদায় করছে। পাশাপাশি অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন উপজেলায় উপকমিটি গঠন করে পরিবহনশ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করা হচ্ছে। এসবের প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের মারধর, ভয়ভীতি প্রদর্শন ও কর্মস্থল থেকে সরিয়ে দেওয়ার মতো ঘটনাও ঘটছে।
নীলফামারী জেলা বাস-ট্রাক-মিনিবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সাংগঠনিক সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে মানবন্ধন এবং প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য দেন ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারশনের সহসাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, ইউনিয়নের কার্যকরী সভাপতি দেলোওয়ার হোসেন, দপ্তর সম্পাদক আব্দুল গণি ইসরাইল প্রমুখ।
চাঁদাবাজির বিষটি অস্বীকার করে নুর আলম বলেন, সরকারি রেজিস্ট্রেশন নিয়েই তাঁরা সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। বরং অন্যপক্ষই শ্রমিকদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে।








