ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) অর্থনীতি ও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন ট্রাস্ট ফান্ডের আওতায় বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে পাঁচজন ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি ১৯৭৬ স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি’ এবং ছয়জন ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান সতীর্থ ফোরাম ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি’ পেয়েছেন।

সোমবার (১৩ জুলাই) উপাচার্যের সভাকক্ষে আয়োজিত পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের হাতে চেক তুলে দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সংকট নিরসন এবং শিক্ষার্থীদের জীবনমান উন্নয়নে প্রশাসন নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে। শুধু সরকারি অর্থায়নের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়কে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে অ্যালামনাইসহ সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সহযোগিতা প্রয়োজন।”

তিনি শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা তহবিল এবং চিকিৎসা তহবিল গঠনে এগিয়ে আসার জন্য অ্যালামনাইদের প্রতি আহ্বান জানান।

অনুষ্ঠানে ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি ১৯৭৬ স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড’-এর মূলধন বৃদ্ধির লক্ষ্যে দাতা প্রতিনিধিরা উপাচার্যের কাছে এক লাখ টাকার একটি চেক হস্তান্তর করেন।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অর্থনীতি ১৯৭৬ স্মৃতি ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি’ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—অর্থনীতি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী আফরিনা ইসলাম আনিকা, সামিহা সারা, জুনাইদ হোসাইন আদনান, তাহসিন ফুয়াদ ত্বহা এবং সুদেব চাকমা।

অন্যদিকে ‘রাষ্ট্রবিজ্ঞান সতীর্থ ফোরাম ট্রাস্ট ফান্ড বৃত্তি’ পেয়েছেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী মোছা. সাদিয়া খাতুন, মো. জিল্লুর রহমান, মো. আবির হোসেন, তারিকুল ইসলাম, রিতু রানী সাহা এবং ফারহানা পারভীন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক আবদুস সালামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক মোহাম্মদ মঈনুল ইসলাম, অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক ফিরদৌসি নাহার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক নাছিমা খাতুন এবং পৃথক দুটি ট্রাস্ট ফান্ডের দাতা প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক মো. ফেরদৌস হোসেন, অধ্যাপক মুনির কুদ্দুস, সাবেক তথ্য কমিশনার সুরাইয়া বেগম, খায়রুজ্জামান হীরা, আহমেদ আহসান, রমেন্দ্র চন্দ্র বসাক ও গোলাম হাফিজ আহমেদও উপস্থিত ছিলেন।