উত্তর কোরিয়া তাদের নতুন পাঁচ হাজার টনের একটি নৌ-বিধ্বংসী যুদ্ধজাহাজ থেকে কৌশলগত ক্রুপ ক্ষেপণাস্ত্রসহ বিভিন্ন আধুনিক অস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালিয়েছে। দেশটির সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন উপস্থিত থেকে এই পরীক্ষা তদারকি করেছেন।
রবিবার (৫ জুলাই) উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম এই তথ্য জানিয়েছে। খবর তুরস্কের সংবাদমাধ্যম আনাদোলুর।
কোরিয়ার সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) তথ্যানুযায়ী, কিম গত শুক্রবার (৩ জুলাই) ‘কাং কন’ নামক যুদ্ধজাহাজটি থেকে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র, নৌ-আর্টিলারি, স্বয়ংক্রিয় গান এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জামের এর পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ করেন। একই সঙ্গে তিনি যুদ্ধজাহাজটিকে আগামী দুই মাসের মধ্যে দেশের নৌবাহিনীতে যুক্ত করার নির্দেশ দেন।
গত বছরের জুনে পিয়ংইয়ং এই যুদ্ধজাহাজটি পানিতে ভাসায়। তবে এর প্রায় এক মাস আগে জাহাজটি প্রথমবার পানিতে নামানোর চেষ্টার সময় এটি একদিকে কাত হয়ে উল্টে গিয়েছিল। পরবর্তীতে ত্রুটি সংশোধন করে এটি প্রস্তুত করা হয়।
রবিবার দক্ষিণ কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম ইয়োনহাপ নিউজ জানিয়েছে, গত শুক্রবার উত্তর কোরিয়ার যুদ্ধজাহাজটি থেকে পূর্ব সাগরের (জাপান সাগর) দিকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের বিষয়টি তারা শনাক্ত করেছে। এই ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট ও প্রযুক্তিগত তথ্যগুলো বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়া এবং যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে বিশ্লেষণ করছে।
উত্তর কোরিয়ার সামরিক বাহিনীর বরাত দিয়ে কেসিএনএ জানিয়েছে, এই অস্ত্র পরীক্ষাগুলোর মূল উদ্দেশ্য ছিল নতুন যুদ্ধজাহাজটিতে থাকা বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থা যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কতটা নিখুঁতভাবে কাজ করতে পারে, তা যাচাই করা।
পরীক্ষা পর্যবেক্ষণ শেষে কিম জং উন সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সম্ভাব্য যুদ্ধ মোকাবিলায় দেশের সামগ্রিক প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সামরিক সক্ষমতা আরো জোরদার করার জন্য জোরালো আহ্বান জানান।








