সবশেষ ২০১৮ সালে বাংলাদেশে হয়েছিল সাফ। অবশেষে অপেক্ষার অবসান হচ্ছে। ২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তারিখ ও ভেন্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। এ বছরের ৪ থেকে ১৭ নভেম্বর হচ্ছে মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্ট।

চ্যাম্পিয়নশিপের প্রস্তুতি পর্বের অংশ হিসেবে ২৫ জুলাই ঢাকায় আনুষ্ঠানিক লোগো উন্মোচন করা হবে। ১ আগস্ট ভুটানের থিম্পুতে আনুষ্ঠানিক ড্র হওয়ার কথা। সাফের সাধারণ সম্পাদক পুরুষোত্তম কাতেল বলেন, ‘২০২৬ সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের তারিখ ও ভেন্যু ঘোষণা করতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত। এই টুর্নামেন্টটি আমাদের হৃদয়ে একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। যা বছরের পর বছর ধরে এই অঞ্চলের ফুটবল ভক্তদের জন্য অসংখ্য স্মরণীয় মুহূর্ত তৈরি করেছে।’

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ সবেমাত্র শেষ হওয়ায় ঘোষণাটি দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এক রোমাঞ্চকর সময়ে এসেছে। আশা করি বাংলাদেশ একটি জমকালো ও সফল আয়োজন উপহার দেবে যা খেলোয়াড় এবং ভক্ত উভয়ের মনেই একটি স্থায়ী ছাপ রেখে যাবে। পুরুষোত্তম বলেন,
‘আগামী সপ্তাহ ও মাসে আমরা চ্যাম্পিয়নশিপ সম্পর্কিত বিভিন্ন কার্যক্রম, আপডেট এবং ইভেন্ট উন্মোচন করব।কাউন্টডাউন শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভক্ত-সমর্থকেরাও এই রোমাঞ্চে শামিল হবেন।’

এই নিয়ে ১৫ বার হতে যাচ্ছে সাফ। সর্বোচ্চ ৯ বার চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। সবশেষ দুইবারও তারা সাফে চ্যাম্পিয়ন। যার মধ্যে সবশেষ ২০২৩ সাফ ভারত জিতেছে ঘরের মাঠে। ২০২১ সাফ ভারত জেতে মালদ্বীপে। বাংলাদেশে এই নিয়ে চতুর্থবার হতে যাচ্ছে সাফ। ২০০১ সালে স্বাগতিক হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল বাংলাদেশ। এটাই এখন পর্যন্ত সাফে তাদের প্রথম শিরোপা।

২০০৯ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত সাফে মালদ্বীপকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। ৯ বছর পর মালদ্বীপ প্রতিশোধ নিয়েছে বাংলাদেশের মাঠে। ২০১৮ সাফে ভারতকে হারিয়ে সাফ জেতে মালদ্বীপ।