বগুড়া শহরের কানুচগাড়ি এলাকায় ড্রেনে ছুরিকাঘাতে রক্তাক্ত একটি কুকুর পড়ে থাকার ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেখে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আইনি ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেন। ঘটনার পর সোমবার রাতেই মামলা হয় ও ডিবি পুলিশ স্বপন নামে এক ব্যবসায়ীকে চাকুসহ গ্রেফতার করে। তিনি বগুড়ার কানুচগাড়ি পুকুরপাড় এলাকার মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে।

মঙ্গলবার বগুড়ার পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশের পর কুকুরকে ছুরিকাঘাতে হত্যাচেষ্টায় জড়িত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অ্যানিমেল ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (বাওয়া) বগুড়া শাখার আহ্বায়ক সদস্য এমরান হোসেন সদর থানায় মামলা করেছেন।

বগুড়া ডিবির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকবাল বাহার জানান, সোমবার রাতে কানুচগাড়ি এলাকার ইন্ডিপেনডেন্ট হাসপাতালের পশ্চিম পাশের গলিতে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় একটি কুকুরকে ড্রেনে পড়ে থাকতে দেখেন। পরে কুকুরটিকে উদ্ধার করা হয়। দা, বটি বা ধারালো কিছু দিয়ে কুকুরটির পিঠে আঘাত করা হয়েছে। এতে ক্ষতটি প্রায় মেরুদণ্ডের কাছে পৌঁছেছে। গুরুতর আহত কুকুরটিকে মহানগরীর একটি পশু চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া হয়। এমরান হোসেন সোমবার রাতেই সদর থানায় মামলা করেন। মধ্য রাতে মহানগরীর মালতিনগর বকশিবাজার এলাকা থেকে স্বপনকে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও বলেন, গ্রেফতারের পর অভিযুক্ত ব্যবসায়ী স্বপনের কাছ থেকে একটি অত্যাধুনিক বার্মিজ চাকু পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে সদর থানায় অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুরে গ্রেফতার ব্যবসায়ী স্বপনকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।