বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলে কার্যরত রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানগুলোকে তাদের ব্যাংক হিসাবে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা বা ডলার বন্ধক রেখে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো টাকায় সাময়িক ঋণ সুবিধা দিতে পারবে। ওই বৈদেশিক মুদ্রা থাকতে হবে রপ্তানিকারকদের রপ্তানি রিটেনশন কোটার হিসাবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতে কোনো দেশি বা বৈদেশিক দায় থাকা যাবে না। কেবলমাত্র দায়মুক্ত বৈদেশিক মুদ্রার বিপরীতেই সোয়াপের (বৈদেশিক মুদ্রা বন্ধক রেখে সাময়িক ঋণ সুবিধার উপকরণ) মাধ্যমে ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে। এ বিষয়ে সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
এ সুবিধা অন্যান্য খাতের রপ্তানিকারকদের আগেই দেওয়া হয়েছে। এখন দেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোতে কার্যরত রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠানগুলোকে এই সুবিধা দেওয়া হলো। রপ্তানিকারকরা সাময়িক অর্থ সংকট মোকাবিলায় রপ্তানি রিটেনশন কোটার বিপরীতে থাকা বৈদেশিক মুদ্রা ব্যাংকে বন্ধক রেখে এ সুবিধা নিতে পারবেন। দেশের বিশেষায়িত অর্থনৈতিক অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে-রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, বেসরকারি খাতের রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল, অর্থনৈতিক অঞ্চল এবং হাইটেক পার্কে অবস্থিত রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানাগুলো।
রপ্তানিকারকরা রপ্তানি আয়ের বিপরীতে একটি অংশ তাদের নিজস্ব হিসাবে রাখতে পারেন।








