দেশের শিল্পজগতের পুরোধা ব্যক্তিত্ব, সফল স্বপ্নসারথি, যমুনা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও যুগান্তর-এর স্বপ্নদ্রষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলামের ষষ্ঠ মৃত্যুবার্ষিকীতে নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে বিভিন্ন স্থানে সোমবার খতমে কুরআন, স্মরণসভা, দোয়া মাহফিল এবং দুস্থদের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। কর্মসূচি থেকে কর্মবীর নুরুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। একই সঙ্গে তার সহধর্মিণী যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান ও যুগান্তরের প্রকাশক অ্যাডভোকেট সালমা ইসলামসহ তার পরিবারের সদস্যদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করা হয়। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান :

নুরুল ইসলাম ছিলেন দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ : হবিগঞ্জের মাধবপুরে যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কে দোয়া মাহফিল ও স্মৃতিচারণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে হুরাইন এইচটিএফ, যমুনা টায়ার অ্যান্ড রাবার ইন্ডাস্ট্রিজসহ যমুনা গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়াও শতাধিক এতিম শিশু অংশগ্রহণ করে। এর আগে সকালে পবিত্র কুরআন খতম ও মোনাজাতের পাশাপাশি সব কর্মকর্তা-কর্মচারী কালো ব্যাজ ধারণ করেন। বক্তারা বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম ছিলেন একজন কঠোর পরিশ্রমী ও দূরদৃষ্টিসম্পন্ন মানুষ। বক্তব্য দেন হুরাইন এইচটিএফ-এর পরিচালক রাজীব দাস, সিনিয়র মহাব্যবস্থাপক আবুল হোসেন, যমুনা ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের মহাব্যবস্থাপক প্রশাসন রাশেদুল আমিন, মাধবপুর থানার ওসি মো. সোহেল রানা। মোনাজাত পরিচালনা করেন ক্বারী আক্তার হোসেন।

নুরুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া : গাজীপুরের কালিয়াকৈরের সফিপুরে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল হয়েছে। যমুনা গ্রুপের স্পিনিং ডিভিশনের উদ্যোগে আয়োজিত অনুষ্ঠানে নুরুল ইসলামের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরে প্রায় ৪ হাজার শ্রমিকের মাঝে খাবার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে স্থানীয় মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে পবিত্র কুরআন খতম করা হয়। পরে নুরুল ইসলাম বাবুলের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।