​বিশ্বকাপ ফাইনালের লড়াইয়ে প্রথমার্ধ শেষে কোনো দলই গোল করতে পারেনি। বল দখলে এগিয়ে থাকা স্পেন পুরো ৪৫ মিনিট জুড়ে আধিপত্য ধরে রাখলেও আর্জেন্টিনার রক্ষণভাগ তা শক্ত হাতে সামলেছে। ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেন আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও প্রথমার্ধের বিরতিতে দুই দল মাঠ ছাড়ে গোলশূন্য সমতায়। ​ম্যাচের শুরু থেকেই স্পেনের তরুণ ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল আর্জেন্টিনার রক্ষণে ভীতি ছড়ান। পঞ্চম মিনিটে ইয়ামালের জোরালো শট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ দারুণ ক্ষিপ্রতায় ঝাঁপিয়ে ঠেকিয়ে দেন। ১২তম মিনিটে কর্নার থেকে স্পেন সুযোগ তৈরির চেষ্টা করলেও তা কাজে লাগেনি। ১৬তম মিনিটে মেসিকে ফাউল করার দায়ে ফ্রি-কিক পায় আর্জেন্টিনা, তবে সেখান থেকেও গোল আসেনি। ১৭তম মিনিটে ইয়ামাল আরও একটি দুর্বল শট নিলে সেটি সহজেই এমিলিয়ানোর গ্লাভসে জমা পড়ে। ​ম্যাচের ২৪ মিনিটে প্রথম হাইড্রেশন বিরতি পর্যন্ত স্পেনের বল দখলের হার ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ। সেই সময়ের মধ্যে আর্জেন্টিনা একবারও স্পেনের ডি-বক্সে ঢুকতে পারেনি। ২১ ও ২২ মিনিটে দুই দলের দুই খেলোয়াড় অফসাইডের কবলে পড়েন। ৩২তম মিনিটে অ্যালেক্স বায়েনার একটি ক্রস আর্জেন্টাইন ডিফেন্ডার ক্রিস্তিয়ান রোমেরো সহজেই বিপদমুক্ত করেন। ৩৯ মিনিটে মিকেল ওয়ারজাবালের দূরপাল্লার শট গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ সহজেই তালুবন্দি করেন। ​ম্যাচের ৪১ মিনিটে আর্জেন্টিনার লিসান্দ্রো মার্তিনেজ ফাউল করলে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচ তাকে হলুদ কার্ড দেখান। ৪৪ মিনিটে বড় ধাক্কা খায় আর্জেন্টিনা; চোটের কারণে লিসান্দ্রো মার্তিনেজকে মাঠ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হয়। তার পরিবর্তে অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার নিকোলাস ওটামেন্ডি মাঠে নামেন। অতিরিক্ত সময়ের খেলা শেষে গোলশূন্য সমতায় বিরতিতে যায় দুই দল। এখন পর্যন্ত স্পেন গোলের জন্য ৩টি শট নিলেও আর্জেন্টিনা উল্লেখযোগ্য কোনো আক্রমণ গড়তে পারেনি।