কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টিন ‘ইসরায়েলি ডিপ স্টেট’-এর বিভিন্ন অংশের পাশাপাশি ‘আমেরিকার সর্বোচ্চ গোয়েন্দা সংস্থার’ সাথেও যুক্ত ছিলেন। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স একটি পডকাস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
ভ্যান্স স্বীকার করেছেন, এপস্টিনের মামলার ব্যাপারে ট্রাম্প প্রশাসন তার প্রতিক্রিয়া সঠিকভাবে সামাল দিতে পারেনি।
পডকাস্টের সঞ্চালক জো রোগান জানান, বেশিরভাগ মানুষ মনে করত এপস্টাইন ইসরায়েলের মোসাদ গোয়েন্দা সংস্থার সাথে যুক্ত ছিলেন।
এর জবাবে ভ্যান্স বলেন, “হ্যাঁ, মোসাদ বা সিআইএ বা অন্য কোনো ডিপ স্টেট, সেটা আমেরিকা, ইসরায়েল বা অন্য কোনো দেশেই হোক না কেন। আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থার সর্বোচ্চ স্তরের সাথে তার স্পষ্ট সংযোগ ছিল। ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থার সর্বোচ্চ স্তরের সাথেও তার স্পষ্ট সংযোগ ছিল।”
তিনি বলেন, এপস্টিনের মামলাটি তার কাছে ‘আকর্ষণীয়’ মনে হয়েছে। কারণ, ‘আমি যতদূর জানি, (ইসরায়েলি) প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, যিনি এই মুহূর্তে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে খুব একটা জনপ্রিয় ব্যক্তি নন, তার মতে এপস্টিন ইসরায়েলি ডিপ স্টেটের সেইসব অংশের সাথে যুক্ত ছিলেন যারা মধ্যপন্থী বামের দিকে ছিল।”
মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট বলেন, “এমনটা নয় যে, তিনি ইসরায়েলি রাজনীতির মধ্যপন্থী ডানের সাথে অতিমাত্রায় সংযুক্ত ছিলেন। আমেরিকায়, তিনি সর্বস্তরেই সংযুক্ত ছিলেন। যেমন, তার রিপাবলিকান বন্ধু ছিল, ডেমোক্র্যাট বন্ধুও ছিল। মধ্যপন্থী ডানের চেয়ে ইসরায়েলি মধ্যপন্থী বামের সাথে তার সংযোগ অনেক বেশি গভীর ছিল।”
মার্কিন বিচার বিভাগ জানুয়ারিতে ‘এপস্টিন ফাইলস ট্রান্সপারেন্সি অ্যাক্ট’-এর অধীনে ৩০ লাখেরও বেশি পৃষ্ঠা, দুই হাজার ভিডিও এবং ১ লাখ ৮০ হাজার ছবি প্রকাশ করেছে, যা গত নভেম্বরে আইনে পরিণত হয়।
যৌন পাচারের অভিযোগে বিচারের অপেক্ষায় থাকাকালে ২০১৯ সালে এপস্টিনকে তার নিউ ইয়র্ক সিটির জেল কোঠায় মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এর আগে তিনি ফ্লোরিডা রাজ্যের একটি আদালতে দোষ স্বীকার করেছিলেন এবং ২০০৮ সালে একজন নাবালিকাকে পতিতাবৃত্তির জন্য প্ররোচিত করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হন। কিন্তু সমালোচকরা এই তুলনামূলকভাবে ছোট সাজাটিকে একটি ‘বিশেষ সুবিধা’ বলে অভিহিত করেন।








