রংপুরে কথিত ভিআইপি শাহাদাত হোসেনদের বিরুদ্ধে নগরীর জামাল মার্কেটসহ ১২৩ শতক জমি জাল দলিলের মাধ্যমে দখলের অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার নগরীর জামাল মার্কেটে এক সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন মোহাম্মদ আব্দুল জলিল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ওই জমির প্রকৃত মালিক দাবি করা মতিয়ার রহমান স্বপন, খোরশেদা আখতার, মোসলেমা বেগম, আদুরি বেগম, মৌসুমি বেগম, মনিরা বেগম, নারগিছ আখতার, আব্দুল হালিম খোকন, ফেরদৌস, মাহবুবুর রহমান, নয়ন মিয়া, ফারুক, মুরাদ, শামীম, সোহেল। এ সময় অভিযোগ করা হয়, জাল দলিলের মাধ্যমে অবৈধভাবে ওই জমি রেকর্ড করা হয়েছে। এভাবে জমি দখল করায় ১৫টি পরিবার এখন অন্যের আশ্রিত হয়ে জীবনযাপন করছে।

আব্দুল জলিল দাবি করেন, নগরীর রাধাবল্লভ মৌজার ৮টি দাগে ১ একর ৩৩ শতক জমির মূল মালিক তার দাদি মৃত লতিফন নেছা খাতুন। ওই জমিতে তারা ১০০ বছর ধরে বসবাস করে আসছিলেন। তবে শাহাদাৎ হোসেন, দিলরুবা শাহাদাৎ, আব্দুর রশিদ চৌধুরী, আবু বক্কর সিদ্দিক, মো. জাহিদুল ইসলাম রাহাত, সৈয়দ মাহাবুবার রহমান বকুল, এসএম ছাবের হোসেনরা লতিফন নেছা খাতুনের নাম ‘সৈয়দা লতিফন নেছা’ উল্লেখ করে নিজেদের পূর্বপুরুষ সাজিয়ে জালজালিয়াতি করে ভুয়া কাগজপত্র তৈরি করেছে। এরপর প্রভাব খাটিয়ে জমির ১ একর ২৩ শতক দখল করে মার্কেট, বাড়ি ও অফিস নির্মাণ করেছে। এ ঘটনায় মামলা করা হলেও কোনো সুরাহা হচ্ছে না।

তিনি আরও অভিযোগ করেন, এই জমি উদ্ধারের জন্য আইনমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, ভূমিমন্ত্রী, আইজিপি বরাবর এবং স্থানীয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ করা হলেও সমাধান পাচ্ছেন না ভুক্তভোগীরা।

সংবাদ সম্মেলনে ওই জমি উদ্ধার এবং ঘটনা তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শাহাদাত হোসেন বলেন, আমি প্রকৃত জমির মালিকের কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে মালিক। যারা জমির শরিক দাবি করছেন, তারা এ নিয়ে মিথ্যা মামলা করেছেন।