পর্দা নামল সৃজনশীল আইডিয়া প্রতিযোগিতা ক্রিয়েভেঞ্চার ৪.০-এর। এবারের প্রতিযোগিতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে স্টার্টআপ গ্রিড। রানার্সআপ স্টার্টআপ মাটিপ্লাস ও তৃতীয় স্থান দখল করে স্টার্টআপ মেটিস। শনিবার রাজধানীর কাওরান বাজারে হলিডে ইন হোটেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কারের ক্রেস্ট ও অর্থ তুলে দেওয়া হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোভিসি (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাদ্দেদ আলফাসানে। এবারের প্রতিযোগিতায় ৬২টি জেলা থেকে ৩৪৮টি টিমে মোট এক হাজার ৬৬ জন প্রতিযোগী অংশ নেন। কোয়ার্টার ফাইনালে পৌঁছে ৩৩টি টিম। ২০টি টিমের অংশগ্রহণে অনলাইন সেমিফাইনাল রাউন্ড শেষে ফাইনাল রাউন্ডে পৌঁছে ৮টি টিম। শেষ রাউন্ডে বিচারক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. রাফিউদ্দিন আহমেদ, শেয়ারট্রিপের সিইও সাদিয়া হক, ডেইলি স্টারের চিফ বিজনেস অফিসার তাজদিন হাসান এবং নেক্সটজবস লিমিটেডের চিফ বিজনেস অফিসার শোয়েব হাসান। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের ট্রেড অ্যান্ড বিজনেস ডেভেলপমেন্টের সিনিয়র পলিসি অ্যাডভাইজার ওসমান হারুনি, ইউনেস্কো ঢাকার হেড অব এডুকেশন নরিহিদে ফুরুকাওয়া। এই ইভেন্টের মিডিয়া পার্টনার ছিল দৈনিক যুগান্তর।

শুভেচ্ছা বক্তব্যে প্রোভিসি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোজাদ্দেদ আলফাসানে উল্লেখ করেন, ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা আন্দোলনে নেতৃত্বের যে গৌরবজনক ইতিহাস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে, ঢাকা ইউনিভার্সিটি এন্টারপ্রেনারশিপ ডেভেলপমেন্ট ক্লাব সেই নেতৃত্বেরই ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে চলেছে।

ডিইউইডিসির চিফ প্যাট্রন অধ্যাপক ড. রাফিউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের এমন একটি প্রজন্ম গড়ে তুলতে হবে, যারা শুধু চাকরি খুঁজবে না, বরং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে। একই সঙ্গে অভিভাবকদেরও সন্তানদের উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্নকে সাহসের সঙ্গে সমর্থন করতে হবে।’

ডিইউইডিসির মডারেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তৌফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ক্রিয়েভেঞ্চার এমন একটি প্ল্যাটফর্ম, যা একটি স্টার্টআপের যাত্রার প্রতিটি ধাপে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা, মেন্টরশিপ ও শিল্প খাতের সঙ্গে সংযোগ তৈরি করে। আমাদের লক্ষ্য শুধু বিজয়ী নির্বাচন নয়, বরং শত শত তরুণ উদ্যোক্তাকে বাজারের চাহিদা অনুযায়ী গড়ে তুলতে সহায়তা করা।’