মধ্যপ্রাচ্য থেকে সব ধরনের জ্বালানি রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছে ইরান। বুধবার এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) এ ঘোষণা দিয়েছে।
বুধবার ভোরে মার্কিন অবরোধ কার্যকর হওয়ায় ইরান হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয় এবং এই অঞ্চলে মার্কিন ঘাঁটি থাকা দেশগুলোর ওপর প্রতিশোধমূলক বিমান হামলা চালায়।
এক বিবৃতিতে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বলেছে, “আঞ্চলিক জ্বালানি রপ্তানি হয় সকলের মধ্যে ভাগ করে নেওয়া হবে, না হয় সকলের জন্য তা বন্ধ করে দেওয়া হবে।”
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আমেরিকার অপকর্মের অবসান না হওয়া পর্যন্ত’ হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকবে।
ইরানের এই ঘোষণার ফলে এই জলপথে জাহাজ চলাচল আরো ব্যাহত হবে, যা যুদ্ধের আগে বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাসের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ছিল।
ইরানের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গরিবাবাদী বলেছেন, নবায়িত মার্কিন অবরোধ “এক অর্থে ইসলামাবাদ সমঝোতা স্মারকটিকে অকার্যকর করে দিয়েছে”। এই অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল প্রণালিটি খোলা রাখা এবং স্থায়ী শান্তির লক্ষ্যে আলোচনার সুযোগ তৈরি করা।
সহিংসতার উদ্দীপনা এবং জাহাজ চলাচলের বিঘ্নতা তেলের দামকে আরো বাড়িয়ে দিয়েছে। বুধবার অপরিশোধিত তেলের দাম এক মাসের সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করেছে।








