১১৩ থেকে ১৪০- মাত্র ২৭ রানের ব্যবধান। এই ২৭ রানের মধ্যে বাংলাদেশ হারিয়েছে ৮টি উইকেট। জিম্বাবুয়ের হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে একমাত্র টেস্টের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে মাত্র ১৪০ রানে অলআউট হয়ে গেছে বাংলাদেশ। পুরো ইনিংসের স্থায়িত্ব ছিল শুধু ৪৭.২ ওভারের। সর্বোচ্চ ৬০ রান করেন মুমিনুল হক। জিম্বাবুয়ের নিউম্যান নিয়ামহুরি নেন ৪ উইকেট।
বিশ্বকাপের ডামাডোলে ক্রীড়াপ্রেমীদের নজরেই হয়তো নেই বাংলাদেশ-জিম্বাবুযে টেস্টের কথা। হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে আজ শুরু হয়েছে বাংলাদেশ এবং জিম্বাবুয়ের মধ্যকার একমাত্র টেস্ট ম্যাচের সিরিজ। যেখানে টস জিতে বাংলাদেশকে ব্যাট করার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রিচার্ড এনগারাভা।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে খুব একটা ভালো অবস্থানে নেই বাংলাদেশ। শুধুমাত্র মুমিনুল হক ছাড়া আর কোনো ব্যাটারই দাঁড়াতে পারেননি স্বাগতিক বোলারদের সামনে। মুমিনুলও আউট হয়ে গেছেন ৬০ রান করে।
দুই ওপেনার মাহমুদুল হাসান জয় এবং সাদমান ইসলাম স্কোরবোর্ডে ৬ রান যোগ করতেই বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। ১৭ বলে ২ রান করে আউট হন মাহমুদুল হাসান জয়। এরপর সাদমান এবং মুমিনুল মিলে গড়েন ৩০ রানের জুটি। দলীয় ৩৬ রানের মাথায় আউট হয়ে যান সাদমান ইসলাম। ৩৮ বলে ২০ রান করেন তিনি।
এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত এবং মুমিনুল হক মিলে একটা স্বাস্তির জুটি গড়েন। এ দু’জনের ব্যাট থেকে বেরিয়ে আসে ৭৭ রানের অনবদ্য এ জুটি। সবাই ভেবেছিল, হয়তো ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাংলাদেশ।
কিন্তু দলীয় ১১৩ রানের মাথায় বিদায় নেন মুমিনুল হক। ৮১ বলে ৬০ রান করে তিনি আউট হয়ে যান নিউম্যান নিয়ামহুরির বলে। ৭৩ বলে ১৯ রানের ইনিংস খেলে বিদায় নেন নাজমুল হোসেন শান্তও। তিনি আউট হন ব্র্যাড ইভান্সের বলে।
শতাধিক টেস্ট খেলে ফেলা মুশফিকুর রহিমের ওপর আস্থা ছিল সবার, হয়তো অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে কিছুটা ঘুরে দাঁড়ানোর কাজ করতে পারবেন তিনি। কিন্তু একের পর এক ভুল শট খেলার খেসারত তিনি দিলেন রিচার্ড এনগারাভার বলে বোল্ড হয়ে।
এরপর আর তেমন কোনো প্রতিষ্ঠিত ব্যাটার ছিলেন না। দুই অভিষিক্ত তাওহিদ হৃদয় এবং অমিত হাসান দাঁড়াতেই পারেনি জিম্বাবুয়ে বোলারদের সামনে। ১৬ বলে ৩ রান করে আউট হন তাওহিদ হৃদয়। অমিত হাসান খেলেন ১৫ বলে ৪ রানের ইনিংস। তাইজুল ইসলাম করেন ১৩ বলে ৯ রান। টেল এন্ডারে হাসান মাহমুদ, খালেদ আহমেদ ও এবাদত হোসেন রানের খাতাই খুলতে পারেনি।
আইএইচএস/








