গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা ছিল। তবে পর্তুগালের শেষ ৩২–এ খেলা নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল গ্রুপ পর্বের প্রথম দুই ম্যাচ শেষেই। আজ কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করায় গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি পর্তুগাল। এর আগে তারা ড্র করেছিল ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষেও। গ্রুপ পর্বে তাদের একমাত্র প্রাপ্তি উজবেকিস্তানের সঙ্গে ৫–০ গোলের জয়।
এই তিন ম্যাচের সব কটিতেই পুরোটা সময় মাঠে ছিলেন দলটির সবচেয়ে বড় তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। উজবেকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করলেও এবারের বিশ্বকাপে তাঁর পারফরম্যান্স সন্তোষজনক নয়। তাঁকে পুরোটা সময় খেলানো ঠিক হচ্ছে কি না, তা নিয়েও সমালোচনা আছে।
গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোয় বড় তারকাদের বিশ্রাম দিতে দেখা গেছে অন্য দলগুলোকে। ফ্রান্সের বিপক্ষে নরওয়ের তারকা আর্লিং হলান্ড আর জর্ডানের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার শুরুর একাদশে ছিলেন না লিওনেল মেসি। এ দুটি উদাহরণ টেনেই পর্তুগালের কোচ রবার্তো মার্তিনেজের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল রোনালদোর বিশ্রাম নিয়ে।
কলম্বিয়ার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর উত্তরে মার্তিনেজ বলেন, ‘আমরা অন্য দলের খেলোয়াড়দের সঙ্গে (রোনালদোর) তুলনা করি না। তুলনা করাটা হবে শিশুসুলভ।’
মার্তিনেজের বিশ্বাস শারিরীক ও মানসিকভাবে পুরো সময় খেলার সামর্থ্য আছে ৪১ বছর বয়সী রোনালদোর, ‘সঠিক সময়ে সঠিক জায়গায় থাকতে সে অভ্যস্ত। প্রশ্নটা আসলে মূলত মানসিক দৃঢ়তা, শৃঙ্খলাবদ্ধ থাকা ও আমাদের আক্রমণাত্মক কৌশলে জায়গা তৈরি করার (সেটা সে করছে)।’
তবে মার্তিনেজ একটি ইঙ্গিতও দিয়েছেন পরের ম্যাচগুলোর জন্য, ‘রোনালদোর জন্য ৯০ মিনিট খেলা কোনো সমস্যা নয়। পরের ম্যাচে হয়তো পরিবর্তন আনতে হতে পারে, কিন্তু সেটা অন্য যেকোনো খেলোয়াড়ের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।’
আজ কলম্বিয়ার বিপক্ষে ড্র করার কারণে পরের পথটা কঠিনই হয়ে গেছে পর্তুগালের জন্য। শেষ ৩২–এ ক্রোয়েশিয়া আর শেষ ষোলোতে তাদের লড়তে হতে পারে ইউরো চ্যাম্পিয়ন স্পেনের বিপক্ষে। তবে এ নিয়ে খুব একটা দুশ্চিন্তা নেই পর্তুগাল কোচের।
মার্তিনেজ বলেন, ‘এখন নিজেদের গুছিয়ে নেওয়ার ও উন্নতি করার সময়। আরও বেশি বলের দখল ও নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে আমাদের সেটা করতে হবে। সেরা ছন্দে পৌঁছাতে এই তিনটি ম্যাচ আমাদের দরকার ছিল। এখন (নকআউটে) সম্পূর্ণ আলাদা একটা টুর্নামেন্ট হবে।’
মেসি চেয়েছিলেন জর্ডানের বিপক্ষে অন্যরা খেলুক







