লিওনেল মেসিকে থামানো যেকোনো ডিফেন্ডারের জন্যই বড় চ্যালেঞ্জ। তবে কেপ ভার্দের ডিফেন্ডার রবার্তো পিকো লোপেসের মা জুডি লোপেস এটাকে ছেলের জন্য ভয় হিসেবে দেখছেন না। বরং তাঁর বিশ্বাস, ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বড় মঞ্চে মেসির বিপক্ষে খেলতে মোটেও চাপ অনুভব করবে না তাঁর ছেলে।
প্রথমবার বিশ্বকাপ খেলতে এসেই চমকে দিয়েছে কেপ ভার্দে। স্পেন, উরুগুয়ে ও সৌদি আরবের বিপক্ষে ড্র করে গ্রুপ পর্বের বৈতরণী পার করেছে আফ্রিকার দলটি। গ্রুপ রানার্সআপ হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে সেরা ৩২-এ। যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দলটির আক্রমণের নেতৃত্বে রয়েছেন মেসি। টুর্নামেন্টে ইতোমধ্যে ছয় গোল করেছেন দুর্দান্ত ছন্দে থাকা এই ফরোয়ার্ড।
বিবিসি স্পোর্টকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জুডি বলেন, ‘মেসির বিপক্ষে খেলতে দারুণ উপভোগ করবে পিকো। ও সব সময়ই শান্ত, আত্মবিশ্বাসী এবং চাপের মুহূর্তে নিজের সেরাটা দিতে পারে। ম্যাচের চারপাশে যত কিছুই ঘটুক না কেন, সেগুলো উপেক্ষা করে নিজের খেলায় মনোযোগ ধরে রাখতে পারে।’
জুডির মতে, দীর্ঘ ক্যারিয়ারের অভিজ্ঞতাই তাঁর ছেলেকে এমন বড় ম্যাচের জন্য মানসিকভাবে প্রস্তুত করেছে, ‘মানুষ বুঝতে পারে না, ফুটবলে ও কত অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। ও দুটি আফ্রিকা কাপ অব নেশনসে খেলেছে এবং শ্যামরক রোভার্সে টানা ১০ বছর কাটিয়েছে। আমার বিশ্বাস, ও ভয় পাবে না। এই চ্যালেঞ্জকে গ্রহণ করবে এবং কে জানে, হয়তো জয় নিয়েই মাঠ ছাড়বে।’
মেসির বিপক্ষে পিকো খেলবেন—এটা ভাবতেই গর্ব হচ্ছে মা জুডির, ‘কখনোই না, লাখে একবারও না। এখনো মনে হয় যেন বাইরে থেকে সবকিছু দেখছি। ভাবতেই অবিশ্বাস্য লাগে, আমার ছেলে বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলারের বিপক্ষে খেলতে নামবে।’
হাস্যরসের সুরে মেসিকে সতর্কবার্তাও দিয়েছেন জুডি, ‘মেসিও নিশ্চয়ই ম্যাচের আগে পিকোকে নিয়ে পড়াশোনা করবে, ওর খেলার ধরন বিশ্লেষণ করবে এবং এই রক্ষণপ্রাচীর কীভাবে ভাঙা যায়, সেই উপায় খুঁজবে।’
বিশ্বকাপের ইতিহাসে নকআউট পর্বে ওঠা সবচেয়ে ছোট দেশ কেপ ভার্দে। তাদের এই সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি ছিল দৃঢ় রক্ষণভাগ। গ্রুপ পর্বে মাত্র দুটি গোল হজম করেছে দলটি। অভিজ্ঞ ৪০ বছর বয়সী গোলরক্ষক ভোজিনহাও ছিলেন দলের অন্যতম ভরসা।








