পাবনার আতাইকুলায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের সংঘর্ষের ঘটনায় আরো একজন মারা গেছে। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মহাসড়কের আতাইকুলা সড়াডাঙ্গী কড়ইতলা এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- পাবনা সাঁথিয়া উপজেলার মাহমুদপুর গ্রামের ছলিম প্রামাণিক (৬৫), তার স্ত্রী বুলি খাতুন (৫৭), গোবিন্দপুর গ্রামের নাফিস (৭) ও মাইক্রোবাসের চালক পাবনা পৌর সদরের উত্তর শালগাড়িয়া এলাকার রাজ হোসেন (২৮)।

এর মধ্যে বুলি খাতুন ও রাজ হোসেন ঘটনাস্থলেই মারা যান। গুরুতর আহত ছলিম প্রামাণিককে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাবনা থেকে রাজশাহী নেওয়ার পথে বেলা ১১টার দিকে তার মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত নাফিসকে পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বেলা ৩টার দিকে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাধপুর হাইওয়ে থানার ওসি মাহবুবুর রহমান রাইজিংবিডি ডটকমকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এ ঘটনায় আহত দুইজন পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তারা হলেন- ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কিডনি রোগে মারা যাওয়া শিশু কেয়ার মরদেহ নিয়ে মাইক্রোবাসে করে রাজশাহী থেকে পাবনায় ফিরছিলেন স্বজনরা। আর পাবনা এক্সপ্রেস নামের যাত্রীবাহী বাসটি ঢাকা থেকে পাবনায় ফিরছিল। পথে সড়াডাঙ্গী কড়ইতলা এলাকায় পৌঁছালে বাস ও মাইক্রোবাসের মুখোমুখি সংঘর্ষ ঘটে। খবর পেয়ে মাধপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছে দুর্ঘটনায় নিহত দুইজন ও মাইক্রোবাসে থাকা শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আহত হয় চারজন।