পাবনায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের সঙ্গে যাত্রীবাহী বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনায় আরও একজন মারা গেছেন। এ নিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়াল চারে। মাধপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গুরুতর আহত শিশু নাফিসকে (৭) পাবনা থেকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর বিকেল ৩টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। সে সাঁথিয়া উপজেলার গোবিন্দপুর গ্রামের রেজাউল করিমের ছেলে।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের আতাইকুলার সড়াডাঙ্গি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
এর আগে ঘটনাস্থলেই মারা যান পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার নন্দনপুর ইউনিয়নের মাহমুদপুর গ্রামের বাসিন্দা ছলিম প্রামাণিকের স্ত্রী বুলু খাতুন (৫৭) এবং পাবনা পৌর এলাকার উত্তর শালগাড়ীর জামাল শেখের ছেলে অ্যাম্বুলেন্সের চালক রাজ শেখ (৩০)।
গুরুতর আহতাবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে নাটোরে পৌঁছার পর বেলা ১১টার দিকে ছলিম প্রামাণিকও (৬৫) মারা যান।
এ ঘটনায় আহত দুজন ছলিম প্রামাণিকের মেয়ে নাজনিন খাতুন (৪০) ও নাতি রিয়াদ সরদার (১৭) পাবনা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
পুলিশ জানায়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কেয়া খাতুন নামের এক মেয়ের লাশ নিয়ে বাড়িতে ফিরছিলেন পরিবারের সদস্যরা। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা পাবনা এক্সপ্রেস নামের একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সের চালকসহ ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন। সংঘর্ষে অ্যাম্বুলেন্সটি দুমড়েমুচড়ে যায়। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধারকার্যক্রম চালায়। এ ঘটনায় বাস ও অ্যাম্বুলেন্সটি জব্দ করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়।








