পাকিস্তানের বেলুচিস্তানে অস্ত্রধারীদের হামলায় অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। জিয়ারত জেলার ডেপুটি কমিশনার আবদুল কুদ্দুস আসাকজাই নিশ্চিত করেছেন, সোমবার (৬ জুলাই) নির্মাণাধীন মাঙ্গি বাঁধ এলাকায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।
তিনি জানান, যেসব সদস্যের ওপর হামলা চালানো হয়েছে তারা নির্মাণকাজের স্থানে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
ডেপুটি কমিশনার বলেন, হামলায় অন্তত নয়জন পুলিশ সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া কয়েকজন সদস্য এখনো নিখোঁজ রয়েছেন।
আরও পড়ুন
‘যা, মর!’ / পাকিস্তানি শুনে ক্ষুধার্ত সহযাত্রীকে খাবার দিলেন না ভারতীয় লেখিকা
এ ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার রাত থেকে পাশের পিশিন জেলার জাতীয় মহাসড়কে বিক্ষোভ চলছে। বিক্ষোভকারীরা বলছেন, বিপুল সংখ্যক অস্ত্রধারী ওই এলাকায় প্রবেশ করে ২০ জনের বেশি পুলিশ কর্মকর্তাকে অপহরণ করেছে।
বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর গণমাধ্যমবিষয়ক সহকারী শাহিদ রিন্দ বলেছেন, ডিএসপি গোলাম সরওয়ারসহ আটজন পুলিশ সদস্য দুর্গম পাহাড়ি পথ পেরিয়ে নিরাপদে কুচ থানা এলাকায় পৌঁছেছেন। এছাড়া রিজওয়ান নামের একজন কনস্টেবলকেও উদ্ধার করা হয়েছে।
কোনো গোষ্ঠী এখন পর্যন্ত এ হামলার দায় স্বীকার করেনি। তবে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ এবং বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রীর গণমাধ্যমবিষয়ক সহকারী শাহিদ রিন্দের দেওয়া বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলাকারীরা ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল।
আরও পড়ুন
পানি আটকালে হাত কেটে ফেলবো: ভারতকে পাকিস্তানের হুমকি
২০২৪ সালের আগস্ট থেকে পাকিস্তান সরকার সব মন্ত্রণালয় ও সরকারি বিভাগকে নিষিদ্ধ ঘোষিত তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি)-এর ক্ষেত্রে ‘ফিতনা আল-খাওয়ারিজ’ শব্দটি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছে।
মাঙ্গি এলাকাটি বেলুচিস্তানের রাজধানী কোয়েটা থেকে প্রায় ৮৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। কোয়েটার পানি সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যে বেলুচিস্তান সরকার এখানে বহু বিলিয়ন রুপি ব্যয়ে মাঙ্গি বাঁধ নির্মাণ করছে।
মাঙ্গি এলাকায় অতীতেওহামলার ঘটনা ঘটেছে। ২০২১ সালের আগস্টে সেখানে একটি স্থলমাইন বিস্ফোরণে লেভিস ফোর্সের তিন সদস্য নিহত এবং আরও কয়েকজন আহত হন।
সূত্র: বিবিসি বাংলা
কেএএ/








