সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামসহ বাদাঘাট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যানের ছেলে ও তার ২ সহযোগীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয় জনতা। মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) ভোরে উপজেলার বাদাঘাট ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন মোল্লাপাড়া গ্রাম থেকে তাদের আটক করা হয়।আটক ব্যক্তিরা হলেন–উপজেলার মোদেরগাঁও গ্রামের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে সোহাগ মিয়া, মোল্লাপাড়া গ্রামের মতিউর রহমানের ছেলে ময়না মিয়া (৪০) এবং একই গ্রামের মৃত আক্কল আলীর ছেলে রয়েল মিয়া (৩৫)।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার ভোর রাতে মোল্লাপাড়া গ্রামে সোহাগ মিয়ার বাসায় মাদক সেবন করা হচ্ছে–এমন সংবাদ পেয়ে স্থানীয় বাসিন্দা ও মাদক নির্মূল কমিটির (মানিক) সদস্যরা বাড়িটি ঘেরাও করেন। পরে খবর পেয়ে বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ সজল মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে ঘরের দরজা খুলে তল্লাশি চালায়। এ সময় ঘর থেকে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জামসহ ওই ৩ জনকে আটক করে ফাঁড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে অভিযানে কোনো ইয়াবা ট্যাবলেট পাওয়া যায়নি।মাদক নির্মূল কমিটির তাহিরপুর উপজেলার সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “সোহাগের বাড়িতে ইয়াবা বিক্রি ও সেবন করা হচ্ছে এমন খবরের ভিত্তিতে আমরা গ্রামবাসীসহ সেখানে যাই। ভেতর থেকে দরজা না খোলায় আমরা পুলিশে খবর দিই। পরে পুলিশ এসে তাদের সরঞ্জামসহ আটক করে।”বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সজল মিয়া জানান, এলাকাবাসী ৩ জনকে আটকে রেখে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করে। এ সময় তাদের কাছে ইয়াবা সেবনের সরঞ্জাম পাওয়া গেলেও কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সকালে তাহিরপুর থানায় পাঠানো হয়েছে।\