যশোরে ১৪ মামলার আসামি সন্ত্রাসী শরিফুল ইসলাম জিতুকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাত ১১টার দিকে শহরের বারান্দীপাড়ার ফুলতলা মোড়ে তাকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যাওয়া হয়। চিকিৎসার জন্য ঢাকা নেওয়ার পথে বৃহস্পতিবার ভোরে নড়াইলে তার মৃত্যু হয়। জিতু যশোর শহরের বারান্দীপাড়া মোল্লাপাড়ার সিরাজুল ইসলামের ছেলে। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একই এলাকার সুমন মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ। তার বিরুদ্ধেও অন্তত ১১টি মামলা রয়েছে বলে পুলিশের দাবি। পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে ফুলতলা মোড়ে দুর্বৃত্তরা জিতুকে কুপিয়ে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন করলে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গিয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে ঢাকা পাঠানো হয়। পরে ঢাকা নিয়ে যাওয়ার পথে ভোররাতে নড়াইলে জিতুর মৃত্যু হয়।
যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক কাজী মাসুম রেজা জানান, রাত ১২টার দিকে পুলিশ গুরুতর জখম অবস্থায় জিতুকে হাসপাতালে নিয়ে আসে। তার অবস্থার অবনাতি হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেওয়া হয়। যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মিরাজুল ইসলাম বলেন, নিহত জিতু এলাকার চিহ্নিত অপরাধী। তার বিরুদ্ধে হত্যা ও মাদকসহ ১৪টি মামলা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে পূর্বশত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। হামলায় ব্যবহৃত রক্তমাখা দা ও ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। এক প্রশ্নের উত্তরে এ পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, আটক সুমনের স্ত্রীকে ধর্ষণচেষ্টার সময় জিতুকে কুপিয়ে জখম করা হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

