হারারে টেস্টে দ্বিতীয় দিনটিও বাংলাদেশের জন্য স্বস্তির হয়নি। প্রথম ইনিংসে ২৭০ রানের বিশাল লিড নেওয়ার পর জিম্বাবুয়ে দিনের শেষ ভাগে আবারও চাপে ফেলে সফরকারীদের। সেই চাপ আরও বাড়িয়ে দেন ওপেনার সাদমান ইসলাম, ইনিংসের শুরুতেই স্লিপে ক্যাচ তুলে ফিরে গিয়ে। দিনের খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ১ উইকেটে ৪০ রান। ইনিংস হার এড়াতে এখনও প্রয়োজন ২৩০ রান।
দিনের শুরুতে অবশ্য খালেদ আহমেদের আঘাতে কিছুটা আশার আলো দেখেছিল বাংলাদেশ। কিন্তু এরপর ইনোসেন্ট কাইয়া ও ব্রায়ান বেনেট ব্যাট হাতে পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেন। মধ্যাহ্নভোজের আগেই জিম্বাবুয়ে ২ উইকেটে ২৪৯ রান তোলে। এই সময়েই টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন কাইয়া।
বিরতির পর ম্যাচে ফেরার চেষ্টা করে বাংলাদেশ। তাইজুল ইসলাম প্রথমে বেনেটকে ফিরিয়ে ৫৯ রানের ইনিংস থামান। এরপর ২২৭ বলে ১৪০ রান করা কাইয়াকেও সাজঘরের পথ দেখান তিনি। একই ওভারে রানআউটে ফিরে যান তাফাদজওয়া সিগাও। তবে এরপর ওয়েসলি মাধেভেরে ও ক্রেইগ আরভিনের জুটি আবারও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নেয়। দুজনের দৃঢ় ব্যাটিংয়ে চা-বিরতির সময় জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ পৌঁছে যায় ৫ উইকেটে ৩৫০ রানে।
শেষ সেশনে অবশ্য স্পিনে জাদু দেখান তাইজুল। একের পর এক উইকেট তুলে নিয়ে জিম্বাবুয়ের ইনিংস গুটিয়ে দিতে বড় ভূমিকা রাখেন তিনি। আরভিন ৬০ রান করে ফিরলেও মাধেভেরে ৭৭ রান করেন। শেষ পর্যন্ত ৪১০ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা, বাংলাদেশের বিপক্ষে গড়ে ২৭০ রানের বড় লিড।
বাংলাদেশের হয়ে দুর্দান্ত বোলিং করেন তাইজুল ইসলাম। বাঁহাতি এই স্পিনার একাই শিকার করেন ৭ উইকেট। খালেদ আহমেদ নেন দুটি, আর একটি উইকেট আসে রানআউট থেকে।
২৭০ রান পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেও ভালো শুরু পায়নি বাংলাদেশ। মাত্র ৯ রান করে স্লিপে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সাদমান ইসলাম। এরপর জয় ও মুমিনুল হক সতর্ক ব্যাটিংয়ে দিন শেষ করেন। জয় ২১ ও মুমিনুল ৯ রানে অপরাজিত আছেন। বাংলাদেশের স্কোর ১ উইকেটে ৪০, ইনিংস পরাজয় এড়াতে এখনও প্রয়োজন আরও ২৩০ রান।
এসকেডি/আইএন








