বাংলাদেশের সঙ্গীতাঙ্গনের মেলোডি কিং ও জীবন্ত কিংবদন্তি শিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী-এর ৮৭তম জন্মদিন গানে গানে উদযাপিত হয়েছে। গত ১ জুলাই ছিল এই বরেণ্য শিল্পীর জন্মদিন। এ উপলক্ষে জন্মদিনের আগের সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমণ্ডিতে তাঁর বাসভবনে এক ঘরোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।সাংবাদিক অভি মঈনুদ্দীনের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করেন ইউনিভার্সেল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, সমাজসেবক ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী।সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় শুরু হওয়া অনুষ্ঠানের শুরুতেই ফুল দিয়ে সৈয়দ আব্দুল হাদীকে শুভেচ্ছা জানান ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী। পরে তাঁর হাতে তুলে দেওয়া হয় একটি ফটো ফ্রেম, হাসপাতালের পক্ষ থেকে ফ্রি হেলথ চেকআপ প্যাকেজ এবং ফলের ঝুড়ি।অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন অভি মঈনুদ্দীন। জন্মদিনের বিশেষ আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন শিল্পী শান সায়েক, অপু আমান, আতিক, রাইসা জান্নাত খান ও তানজিন মিথিলা। তারা সৈয়দ আব্দুল হাদীর জনপ্রিয় গান পরিবেশন করে তাঁকে সম্মান জানান।আতিক পরিবেশন করেন ‘সুন্দর সন্ধ্যায় এ গান দিলাম উপহার’ এবং ‘তীরে তীরে নাহি ভীড়ে’। শান সায়েক ও তানজিন মিথিলা দ্বৈত কণ্ঠে গেয়ে শোনান ‘এমনও তো প্রেম হয়, ও চোখের জলে কথা কয়’। রাইসা জান্নাত খান পরিবেশন করেন ‘আমি তোমারই প্রেম ভিখারী’।অনুষ্ঠানের শেষদিকে যোগ দেন অপু আমান। তিনি ‘কেউ কোনোদিন আমারে তো কথা দিলো না’ এবং দর্শকদের অনুরোধে ‘যেও না সাথী’ গান দুটি পরিবেশন করে উপস্থিত সবার প্রশংসা কুড়ান।পরে শান সায়েকের পক্ষ থেকে আনা জন্মদিনের কেক কেটে উদযাপন করেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। এ সময় উপস্থিত সবাই তাঁকে শুভেচ্ছা জানান এবং স্মরণীয় মুহূর্তগুলো ক্যামেরাবন্দি করেন।অনুষ্ঠানে ডা. আশীষ কুমার চক্রবর্ত্তী বলেন, “শ্রদ্ধেয় হাদী ভাই আমাদের বি.বাড়িয়ার তথা বাংলাদেশের গর্ব। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তাঁর সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করেন। তাঁর জন্মদিনে পাশে থাকতে পারাটা আমার জন্য আনন্দের।”সৈয়দ আব্দুল হাদী বলেন, “ডা. আশীষ ও অভির উদ্যোগে এমন আয়োজন আমাকে সত্যিই আনন্দিত করেছে। অভি সিনিয়র শিল্পীদের অনেক শ্রদ্ধা করে। যারা আজ গান গেয়েছে, তারা প্রত্যেকেই খুব ভালো গায়। আমি চাই তারা আরও বড় হোক।”
অনুষ্ঠান শেষে বাসার ছাদে উপস্থিত শিল্পী ও অতিথিদের সঙ্গে দীর্ঘ সময় আড্ডায় মেতে ওঠেন এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পী।








