সরকার জুলাইয়ের চেতনা ও মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গড়িমসি করলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আবার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ।
আজ শুক্রবার রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর ফটকে ভারতীয় আগ্রাসনের প্রতিবাদ এবং জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ হুঁশিয়ারি দেন দলটির নেতারা।
ইসলামী আন্দোলনের সিনিয়র নায়েবে আমির সৈয়দ ফয়জুল করীম বলেন, ‘জনগণ জুলাই বাস্তবায়নের জন্য গণভোট দিয়েছে এবং সেখানে ৭০ শতাংশ ভোট পক্ষে পড়েছে। দেশের স্বার্থ, জুলাই বিপ্লব এবং ইসলামের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হলে জুলাই সনদ অবশ্যই বাস্তবায়ন করতে হবে।’
সমাবেশে দলের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেন, জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য সব রাজনৈতিক দল মিলে একটি সনদ প্রণয়ন করা হয়েছিল। গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণ বিপুল ভোটে সেই আকাঙ্ক্ষার পক্ষে রায় দিয়েছে এবং জুলাই সনদ মানুষের আকাঙ্ক্ষার প্রতীকে পরিণত হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।
গাজী আতাউর রহমান আরও বলেন, ‘প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ এই জুলাই সনদের পক্ষে ভোট দিয়েছে। কিন্তু আমরা কি দেখলাম? এই সরকার অনেকটাই নিজেদের জবাবদিহিতার বাইরে রাখতে চায়।’
গাজী আতাউর অভিযোগ করেন, ‘১৯৭১ এর পর থেকে ভারতীয় আগ্রাসন আমাদের দেশে চেপে বসেছিল...আমরা দেখতে পাচ্ছি, এই অভ্যুত্থান পরবর্তী এখন নতুন সরকার যখন ক্ষমতায় এসেছে, আবার ভারত তাদের আগ্রাসী মনোভাব নিয়ে বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার চক্রান্তে মেতে উঠেছে।’
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার যদি জুলাইয়ের চেতনা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠা থেকে যদি তারা সরে যায়, তারা যদি তাদের অঙ্গীকার বাস্তবায়নে গড়িমসি করে, তাহলে আমরা বাধ্য হব জনগণকে সাথে নিয়ে আবার আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়তে।’
সমাবেশে বক্তব্য দেন দলের ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আহমদ আবদুল কাইয়ূম, উত্তরের সভাপতি শেখ ফজলে বারী মাসউদ, মহানগর দক্ষিণের সেক্রেটারি মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদারসহ অনেকে।








