প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফর করেন। এই সফর সবার আগে বাংলাদেশ লক্ষ্যের অভূতপূর্ব উদাহরণ বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে প্রস্তাবিত দায়যুক্ত ব্যয় ব্যতীত অন্যান্য সম্পর্কিত মঞ্জুরি দাবির ওপর ভোট গ্রহণ ও ছাঁটাই প্রস্তাবের দাবিতে অংশ নিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে ভূরাজনৈতিকভাবে জটিল বিশ্বব্যবস্থায় একটি রাষ্ট্রের উন্নয়ন ও নিরাপাত্তা অনেকাংশেই দূরদর্শী ও সক্রিয় কূটনৈতিক তৎপরতার ওপর নির্ভর করে। আমাদের কূটনীতির মূল লক্ষ্য সবার আগে বাংলাদেশ। তার অভূতপূর্ব উদাহরণ প্রধানমন্ত্রীর চীন-মালয়েশিয়া সফর।’
দেশের স্বাধীনতার সুরক্ষা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়েই নতুন বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে জানিয়ে খলিলুর রহমান বলেন, ‘বাজেটে পররাষ্ট্রে প্রস্তাবিত ব্যয় এক হাজার ৮৪৪ কোটি ৪৩ লাখ টাকা কোনো সাধারণ ব্যয় নয়। বরং আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশকে সুদৃঢ় করার কৌশলগত বিনিয়োগ। আমাদের তুলনায় ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের ব্যয় আমাদের টাকায় ২৯ হাজার কোটি টাকা, পাকিস্তানের তিন হাজার ৪০০ কোটি টাকা।’
আরও পড়ুন
প্রস্তাবে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হচ্ছে না, তারপরও কিছু দিতে চাই: আমির হামজা
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বিরোধীদলের ছাঁটাই প্রস্তাত অনুযায়ী ব্যয় ১ টাকায় নামিয়ে আনা হলে বিশ্বে আমাদের দূতাবাসগুলো বন্ধ করে দিয়ে আমাদের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতীক লাল সবুজের পতাকা নামিয়ে ফেলতে হবে। বন্ধ করে দিতে হবে প্রবাসীদের দেওয়া সব সেবা। জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে আমাদের বার্ষিক চাঁদা আমরা দিতে পারবো না। যার ফলে জাতিসংঘে আমাদের সদস্য পদ স্থগিত হয়ে যেতে পারে।’
খলিলুর রহমান জানান, মালয়েশিয়ার জহুরবাহরু, যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগান, আর্জেন্টিনা ও আয়ারল্যান্ডে নতুন মিশন খোলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ইসলামিক সম্মেলন সংস্থার পক্ষে গাম্বিয়ার করা রোহিঙ্গা হত্যা-সংক্রান্ত একটি মামলা পরিচালনায় ১৬ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এমওএস/একিউএফ








