অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে চরম স্বেচ্ছাচারিতা হয়েছিল ক্রীড়াঙ্গনে। ক্রীড়াঙ্গনের সংস্কারের নামে ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনগুলো ভেঙে দিয়ে অযোগ্য, অথর্ব ও বিতর্কিত কিছু মানুষ দিয়ে অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছিল তৎকালীন ক্রীড়া প্রশাসন। বিএনপি সরকার গঠনের পর থেকেই দাবি উঠছিল ক্রীড়াঙ্গনে প্রকৃত সংগঠকদের ফিরিয়ে আনার। অবশেষে সেই উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ।
যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক কয়েকদিন আগেই বলেছিলেন, অচিরেই বেশিরভাগ ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হবে যাদের কাজ হবে ৩ মাসের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করে নির্বাচিত কমিটির কাছে দায়িত্ব হস্তান্তর করা। ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী কথা রেখেছেন। এক সপ্তাহের মধ্যেই তিনি এক দিনে ২৭ ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের বিতর্কিত কমিটিগুলো বিলুপ্ত করে নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছেন।
শনিবার জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের নির্বাহি পরিচালক মো. দৌলতুজ্জমানা খান ২৭ টি আলাদা প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে কমিটিগুলো ঘোষণা করেছেন। এই দফায় যে ২৭ ফেডারেশন ও অ্যাসোসিয়েশনের অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে। সেগুলো হচ্ছে-আরচারি, অ্যাথলেটিকস, উশু, বক্সিং, কুস্তি, কাবাডি, কারাতে, ক্যারম, খো খো, জিমন্যাস্টিকস, জুডো, টেনিস, টেবিল টেনিস, তায়কোয়ানদো, দাবা, ফেন্সিং, ব্যাডমিন্টন, ভলিবল, ভারোত্তোলন, মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, রাগবি, রোইং, শ্যুটিং, সাইক্লিং, সাঁতার, হকি ও হ্যান্ডবল।
আরআই/এমএমআর








