জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের গাড়িচালক মুতাসিন হুসাইন সিরাজীর মৃত্যু নিয়ে সন্দেহ দেখা দিয়েছে। বুধবার মরহুমের পরিবার কেন্দুয়া থানাকে অবহিত করলে পুলিশ সুরতাল রিপোর্ট তৈরি করে এবং প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি লিপিবদ্ধ করেন। এরপর বৃহস্পতিবার ময়নাতদন্তের জন্য লাশ নেত্রকোনা মর্গে পাঠানো হয়।

নেত্রকোনার কেন্দুয়ার রোয়ালবাড়ি ইউনিয়নের রহিমপুর গ্রামের মৃত মুসলেম উদ্দিন আকন্দের ছেলে মুতাসিন হুসাইন সিরাজী (প্রজ্ব¡ল) মিরপুরের অফিসার্স কোয়াটারে স্ত্রী, সন্তান নিয়ে থাকতেন। বুধবার সিরাজীর আত্মীয়-স্বজনদের কাছে তার স্ত্রী প্রিয়াঙ্কা রোফ ডরিন ফোন করে জানান তার স্বামী মারা গেছেন। বিকালে লাশ গ্রামে নেওয়ার পর এলাকাবাসী দেখতে পান লাশের কপালে, গালে, ঘাড়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তার স্ত্রীর গালেও আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। পারিবারিকভাবে এবং এলাকাবাসী মরহুমের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তিনি জানান ৩০ জুন রাতে তাদের কথা কাটাকাটি এবং হাতাহাতি হয়। এই ঘটনা থেকেই হয়তোবা তার স্ট্রোকজনিত কারণে মৃত্যু হতে পারে। তবে, তাকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়নি।

এ বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ওসি মো. তরিকুল ইসলাম জানান, লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিস্তারিত পরে জানানো হবে।