মুলাদীতে কৃষক হারুন হাওলাদারকে হত্যার পর মাটিচাপা ও অপহরণের নাটকের ঘটনায় স্ত্রী সেলিনা বেগম গ্রেফতার হলেও তার সহযোগীরা রয়েছেন ধরাছোঁয়ার বাইরে। ওই ঘটনায় লাশ উদ্ধারের পর মামলা হলেও পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি বলে অভিযোগ করেন নিহতের স্বজনরা। নিহত কৃষক হারুন হাওলাদার চরমালিয়া গ্রামের মৃত অছিমদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। গত ২৯ জুন দুপুরে তার নিজ বাড়ির রান্নাঘরের পাশ থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরকীয়া সম্পর্ক জেনে যাওয়া এবং তাতে বাধা দেওয়ায় তার স্ত্রী সেলিনা বেগম তার অণ্ডকোষ চেপে হত্যা করে মাটিচাপা দিয়েছেন বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন বলে জানায় পুলিশ। তবে নিহতের ছেলে ও মামলার বাদী জাফর হাওলাদার বলেন, ‘লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশ জানিয়েছিল আমার বাবাকে কুপিয়ে ও হাতুড়িপেটা করে হত্যা করা হয়েছে। পরে আমার মা সেলিনা বেগম অণ্ডকোষ চেপে হত্যা করেছেন বলে স্বীকারোক্তি দিয়েছেন। কিন্তু আমার মায়ের পক্ষে একা বাবাকে হত্যা করে রাতের আধারে মাটিচাপা দেওয়া প্রায় অসম্ভব।
এছাড়া আমার মা যদি অণ্ডকোষ চেপেই বাবাকে হত্যা করে থাকেন তাহলে শুক্রবার গভীর রাতে তিনি ঘরের মেঝে কাদামাটি দিয়ে লেপে দিয়েছেন কেন? শনিবার সকালে ঘরে নতুন প্রলেপ দেখে অনেকের সন্দেহ হয়েছিল। নিশ্চয়ই তার এক বা একাধিক সহযোগী ছিল। আমার মা গ্রেফতার হলেও হত্যাকাণ্ডে তার সহযোগীদের শনাক্ত কিংবা গ্রেফতার করা হয়নি।’
