সিংগাইর সখীপুর ও নাগরপুর থেকে তিন লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ভৈরবের মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। মঙ্গল ও বুধবার এসব লাশ উদ্ধার করা হয়। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান, মানিকগঞ্জের সিংগাইরে আলোচিত স্কুলছাত্রী মারিয়া মাহি হত্যার রেশ কাটতে না কাটতে আবারও পাটখেতে মিলল অটোচালক এক কিশোরের লাশ। ২০ জুন মারিয়া মাহির লাশ উদ্ধারের ১১ দিন পর অটোচালক সাকিবুলের (১৬) লাশ উদ্ধার করেছে। জীবিকার তাগিদে অটো নিয়ে বের হলেও সে রাতে বাড়ি ফেরেনি। উপজেলার বলধারা ইউনিয়নের নবগ্রাম কাসতা এলাকায় একটি পাটখেত থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাকিবুল মানিকগঞ্জ সদরের বেতিলা-মিতরা ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের রহম আলীর ছেলে। টাঙ্গাইলের সখীপুর ও নাগরপুরে পৃথক স্থান থেকে দুজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সকালে সখীপুর থেকে নারী ও দুপুরে নাগরপুর থেকে এক পুরুষের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ জানায়, সখীপুরে নিখোঁজের একদিন পর বাড়ির পাশে একটি ডোবা থেকে পারভীন (৪৬) নামে এক বিধবা নারীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত পারভীন সখীপুর পৌরসভার মৃত হুমায়ূন খানের স্ত্রী। সোমবার রাতে সাভারে
চাকরিরত ছেলে ফাহাদের সঙ্গে মোবাইলে তার সবশেষ কথা হয়। এদিকে নাগরপুরে নিখোঁজের তিনদিন পর পাটখেত থেকে শওকত মোল্লা (৫৫) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার সহবতপুর ইউনিয়নের নলসন্ধ্যা গ্রামের মৃত জয়েদ আলী মোল্লার ছেলে। কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মেঘনা নদী থেকে উদ্ধার বস্তাবন্দি লাশের পরিচয় পাওয়া
গেছে। বাজিতপুরের মাইজচর গ্রামের মৃত আসাদ মিয়ার ছেলে মাসুদ মিয়া। মঙ্গলবার ভৈরবের মেঘনা নদীঘাটের পলতাকান্দা এলাকা থেকে লাশটি উদ্ধার করে নৌ পুলিশ। লাশের খবর পেয়ে নিহতের স্ত্রী হাছনারাসহ তার পরিবারের সদস্যরা লাশটি শনাক্ত করেন। মাসুদ মিয়া পেশায় একজন সিএনজিচালক ছিলেন। ১৯ জুন বিকালে বাসা থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন তিনি।
