বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে আহত জামায়াতে ইসলামীর নেতা সম্রাট হোসেন আকন্দ বাপ্পা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। ৯ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর শনিবার রাত ১২টায় দিকে ঢাকার একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। এ ঘটনায় আগে দায়ের হওয়া হত্যাচেষ্টা মামলা হত্যা মামলায় রূপান্তর করা হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
পুলিশ ও স্বজনরা জানান, নিহত বাপ্পা সদর ইউনিয়নের ভেলুরচক গ্রামের রফিক আকন্দের ছেলে এবং সদর ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর যুব ও ক্রীড়া বিভাগের সহসভাপতি ছিলেন। তার চাচা আবদুল করিম আকন্দ একই ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক। জমির মালিকানা নিয়ে দুই ভাই রফিক আকন্দ ও আবদুল করিম আকন্দের মধ্যে বিরোধ চলছিল। ২৫ জুন দুপুরে এ বিরোধকে কেন্দ্র করে উভয়পক্ষের মধ্যে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে সংঘর্ষ বাধে। অভিযোগ রয়েছে, আবদুল করিম আকন্দ ও তার সমর্থকদের হামলায় বাবাকে রক্ষা করতে গিয়ে সম্রাট হোসেন আকন্দ বাপ্পা গুরুতর আহত হন। এ সময় তার বাবা রফিক আকন্দ ও মা জোসনা বেগমও আহত হন। তাদের প্রথমে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে বাপ্পাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
ঘটনার পর ২৭ জুন বাপ্পার মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে আবদুল করিম আকন্দসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে দুপচাঁচিয়া থানায় হত্যাচেষ্টা মামলা করেন। পরে পুলিশ আবদুল করিম আকন্দ ও তার স্ত্রীকে গ্রেফতার করে। ওসি তাজমিলুর রহমান জানান, রোববার বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
