অবশেষে বৃদ্ধা সুমিত্রা ঘোষ জখমের ১৩ দিন পর সোমবার খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। তিনি উপজেলার কপিলমুনি ইউনিয়নের দক্ষিণ সলুয়া গ্রামের মৃত্যু রজ্ঞন ঘোষের স্ত্রী ও দুধ ব্যবসায়ী নারায়ণ ঘোষের মাতা। ২৩ জুন গভীর রাতে কে বা কারা বৃদ্ধা সুমিত্রা ঘোষকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি পিটা করে রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ফেলে রেখে যায়। ২৪ জুন সকাল আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে তার পৌত্র রাহুল তার ঠাকুর মাকে ডাকতে গিয়ে দেখেন দরজা খোলা এবং রক্তাক্ত অবস্থায় অবস্থায় ঘরের মেঝেতে তিনি পড়ে আছেন। তাকে প্রথমে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় সেখানকার ডাক্তাররা তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে বৃদ্ধের ছেলে নারায়ণ ঘোষ কিছুই বলতে রাজি হননি। তবে স্থানীয়দের অনেকেই ধারণা করছেন কিছুদিন পূর্বে তিনি ১ লাখ ৪ হাজার টাকায় একটি গরু বিক্রি করেছিলেন। ওই টাকা নেওয়ার জন্য কেউ হয়তো এ ঘটনা ঘটিয়েছে। তারপরও বিষয়টি রহস্যজনক বলে কেউ কেউ মনে করছেন।