টাঙ্গাইল, নাটোর, নলডাঙ্গা ও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে পাঁচজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের মধ্যে শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও রিকশাচালক রয়েছেন। শনিবার রাত ও রোববার লাশগুলো উদ্ধার করা হয়। যুগান্তর প্রতিনিধিরা জানান : টাঙ্গাইলে হাত বাঁধা, গলায় রশি প্যাঁচানো ও রক্তাক্ত অবস্থায় এক নারীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শহরের শিবনাথপাড়া এলাকার নিজ বাড়ি থেকে রোববার দুপুরে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। নাজমা আলম ওই এলাকার ভেটেরিনারি চিকিৎসক শফিউল আলম শাহীনের স্ত্রী। এতে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ সম্পর্কে তাৎক্ষণিক কিছু জানা যায়নি। নাটোরে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য নাটোর আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে পুলিশ। জানা গেছে, সদর উপজেলার তেবাড়িয়া ইউনিয়নের লেংগুরিয়া মধ্যপাড়া মহল্লার মৃত হীরালাল দাসের ছেলে কমল কুমার দাস শনিবার সন্ধ্যায় বাড়ি থেকে রিকশা নিয়ে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরে আসেনি। পরে রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় নাটোর চিনিকলের পাশের জংলী ঈদগাঁহ মাঠসংলগ্ন পুকুর থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। অপরদিকে, শনিবার রাত সাড়ে ১০টায় সদর উপজেলার ছাতনী ইউনিয়নের রায় আমহাটি গ্রামে নিজ বাড়ি সামনে থেকে মোতালেব হোসেন নামে এক বৃদ্ধের গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত মোতালেব হোসেন ওই গ্রামের ইদ্রিস আলী খানের ছেলে। কমলগঞ্জে নিখোঁজের পরদিন ধলাই নদী থেকে তামিম ইকবাল নামে এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার দুপুরে আদমপুর ইউনিয়নের কাটাবিল এলাকার ধলাই নদী থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তামিম কাটাবিল গ্রামের জমসেদ মিয়ার ছেলে। নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার ব্রহ্মপুর পূর্বপাড়া এলাকার এক বৃদ্ধা নদীতে গোসল করতে নেমে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৪ ঘণ্টা পর তার লাশ উদ্ধার হয়েছে। নিহত বৃদ্ধা জমেলা খাতুন ওই এলাকার হাসেন প্রামাণিকের স্ত্রী। ওসি নূরে আলম এবং নলডাঙ্গা ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা মাসুদ রানা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
